খাদ্য ও পুষ্টি
খাদ্য ও পুষ্টি MCQ বিসিএস পরীক্ষার জন্য। ভিটামিন, খনিজ, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট নিয়ে প্রশ্নোত্তর।
মোট 176 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 12নিচের কোনটি মনোস্যাকারাইড?
ক
ম্যালটোজ
খ
সুক্রোজ
গ
ফ্রুক্টোজ
ঘ
ল্যাকটোজ
সঠিক উত্তর:
গ (ফ্রুক্টোজ)
আমাদের দেহ খাদ্য থেকে পায় -
ক
তাপশক্তি
খ
বিভবশক্তি
গ
যান্ত্রিকশক্তি
ঘ
রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ (রাসায়নিক শক্তি)
পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন ?
ক
Vit-B complex
খ
Vit-C
গ
কোনটি নয়
ঘ
সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ (সবগুলো)
স্বাদের উপর ভিত্তি করে শর্করা কত প্রকার ?
ক
১ প্রকার
খ
২ প্রকার
গ
৩ প্রকার
ঘ
৪ প্রকার
সঠিক উত্তর:
খ (২ প্রকার)
ব্যাখ্যা:
স্বাদের ভিত্তিতে শর্করা দুই প্রকার, যথা- ১) শ্যুগারঃ শ্যুগার শর্করা স্বাদে মিষ্টি। সকল মনোস্যাকারাইড এবং অলিগোস্যাকারাইড শ্যুগার। যেমনঃ গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাক্টোজ, সুক্রোজ ইত্যাদি। ২)নন-শ্যুগারঃ সকল প্রকার নন-শ্যুগার শর্করা হলো পলিস্যাকারাইড। যেমনঃ স্টার্চ, সেলুলোজ ইত্যাদি।
পালং শাকে কি পাওয়া যায়?
ক
লৌহ
খ
ক্যালসিয়াম
গ
থায়ামিন
ঘ
ভিটামিন B12
সঠিক উত্তর:
খ (ক্যালসিয়াম)
ব্যাখ্যা:
ক্যালসিয়াম প্রাণীদের হাড় এবং দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। ক্যালসিয়ামের উৎস হলো- পালংশাক, কচুশাক, তিল, সয়াবিন, দুধ, ডিম, ছোট মাছ ইত্যাদি। প্রতি টেবিল চামচ তিল থেকে ৮৮ মিলিগ্রাম পর্যন্ত ক্যালসিয়াম পাওয়া সম্ভব।
আবিরার ওজন ৬০ কেজি এবং উচ্চতা ১.৫ মিটার।তার বি এম আই কত?
ক
২৪.৭
খ
২৫.৭
গ
২৬.৭
ঘ
২৭.৭
সঠিক উত্তর:
গ (২৬.৭)
ব্যাখ্যা:
Body Mass Index (BMI) হল প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির ওজন ও উচ্চতার ভিত্তিতে স্থুলতা নির্ণয়ের একটি নির্ভরযোগ্য ও সর্বাধিক প্রচলিত সূচক বা পন্থা, যা ব্যক্তির ওজনাধিক্যের ধরণ নির্দেশ করে নানা স্বাস্থ্যগত সমস্যার ঝুঁকি হতে রক্ষা করে। বি. এম. আই= ওজন (কেজি)/উচ্চতা (মিটার)২। = ৬০/১.৫² =২৬.৬৬ বা ২৬.৭।
কোন জাতীয় উদ্ভিদ জলজ প্রানীদের খাদ্য ভান্ডার ?
ক
লাউ
খ
কলমি
গ
পদ্ম
ঘ
শ্যাওলা
সঠিক উত্তর:
ঘ (শ্যাওলা)
পানিতে বসবাসকারী প্রানী ও উদ্ভিদের জন্য পানি কেমন হওয়া উত্তম?
ক
pH ২--৪
খ
অতি বিশুদ্ধ
গ
ছায়াযুক্ত
ঘ
pH ৬-৮
সঠিক উত্তর:
ঘ (pH ৬-৮)
জলজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কি উৎপন্ন করে?
ক
পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
খ
শর্করা ও অক্সিজেন
গ
সূর্যলোক ও ক্লোরোফিল
ঘ
স্থৈতিক শক্তি ও গতিশক্তি
সঠিক উত্তর:
খ (শর্করা ও অক্সিজেন)
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ নয় কোনটি?
ক
অক্সিজেন
খ
সূর্যালোক
গ
ক্লোরোফিল
ঘ
পানি
সঠিক উত্তর:
ক (অক্সিজেন)
ব্যাখ্যা:
-সূর্যালোকের ফোটন থেকে গৃহীত শক্তি, উদ্ভিদের সবুজ অংশে বিদ্যমান ক্লোরোফিল, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড হলো সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল। - অক্সিজেন সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার একটি উপজাত হিসাবে উৎপন্ন হয়।
একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ -
ক
ছোলা
খ
মটর
গ
শিম
ঘ
ভুট্টা
সঠিক উত্তর:
ঘ (ভুট্টা)
ব্যাখ্যা:
-যেসকল আবৃতবীজী উদ্ভিদের বীজে একটি বীজপত্র থাকে, তাদেরকে একবীজপত্রী উদ্ভিদ বলা হয়। -ধান, গম, আখ, তাল, নারিকেল, সুপারি, খেঁজুর, ভুট্টা ইত্যাদি একবীজপত্রী উদ্ভিদ এর উদাহরণ। - বীজে দুইটি বীজপত্র বিশিষ্ট আবৃতবীজী উদ্ভিদ হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। -ছোলা, মটর, কাঁঠাল, আম, জাম, লিচু, শিম ইত্যাদি হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ এর উদাহরণ।
ডিমের সাদা অংশে কোন শ্রেণীর প্রোটিন থাকে?
ক
নিম্ন শ্রেণীর
খ
কেসিয়িন
গ
বায়োটিন
ঘ
অ্যালবুমিন
সঠিক উত্তর:
ঘ (অ্যালবুমিন)
ব্যাখ্যা:
ডিমের কুসুমে থাকে গ্লোবিউলিন।
কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো----
ক
ভিটামিন 'এ'
খ
লৌহ
গ
ক্যালসিয়াম
ঘ
ভিটামিন 'সি'
সঠিক উত্তর:
খ (লৌহ)
ব্যাখ্যা:
কচুশাকে প্রচুর পরিমান লৌহ নামক খনিজ পদার্থ থাকে। কচু শাকে ভিটামিন - এ প্রচুর পরিমানে পাওয়া যায়। কচু শাকে বিদ্যমান আক্সালিক এসিড গলায় কুটকুট ভাব তৈরি করে। গাজর সহ রঙিন ফলমূলে ভিটামিন এ সবুজ ও টক ফলমূলে ভিটামিন সি মাছের কাটা ও সামুদ্রিক মাছে ক্যালসিয়াম ও আয়োডিন থাকে
বাংলাদেশে আর্সেনিক দূষণ প্রতিক্রিয়া প্রথম কোন জেলায় ধরা পড়ে?
ক
মেহেরপুর
খ
কুষ্টিয়া
গ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ঘ
দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
গ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা বাংলাদেশে আর্সেনিক সমস্যা বলতে বোঝানো হয় বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অঞ্চলে খাবার পানিতে আর্সেনিকের মাত্রাতিরিক্ত হার, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক। আর্সেনিক মূলত একপ্রকার রাসায়নিক উপাদান। পানিতে স্বল্প মাত্রায় আর্সেনিক সব সময়ই থাকে। কিন্তু যখনই এই মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বেশি হয়ে যায়, তখনই তা পানকারীর শরীরের নানা রকম রোগের উপসর্গ তৈরি করে এবং পরবর্তিতে সেই সকল রোগব্যাধিকে মারাত্মক পর্যায়ে নিয়ে যায়। পুরো বিশ্ব থেকে, ভূগর্ভস্থ পানিতে আর্সেনিক দূষণের মোটামুটি ২০টি ঘটনা জানা যায়। এর মধ্যে, চারটি গুরুতর ঘটনাই পাওয়া গেছে এশিয়াতে। এর মধ্যে থাইল্যান্ড ও তাইওয়ানের কিছু এলাকা এবং চীনের মূল ভূখন্ড রয়েছে। [ দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনা এবং চিলিতেও আর্সেনিক দূষণ চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিতে, ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের হিসাবানুসারে, ইউনাইটেড স্টেট্স এনভায়রনমেন্টাল প্রটেকশন এজেন্সির মাত্রার (প্রতি বিলিয়নে ১০ পার্ট্স) চেয়ে বেশি মাত্রার আর্সেনিক পাওয়া গেছে। ইউএস সুপারফান্ড - এর অর্থায়নে নির্মিত সাম্প্রতিক চলচ্চিত্র In Some Doses থেকে জানা যায়, ১০ লক্ষের মতো ব্যক্তিগত কূপের আর্সেনিকের মাত্রা অজানা রয়ে গেছে, এবং যুক্তরাষ্ট্রের কিছু এলাকায় ২০% - এরও বেশি কূপে নিরাপদ মাত্রার বেশি আর্সেনিক থাকতে পারে। ২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের একটি গবেষণায় ধারণা করা হয়, ৭০টিরও বেশি দেশে, ১৩৭ মিলিয়ন - এরও বেশি মানুষ, খাবার পানিতে আর্সেনিক দূষণে আক্রান্ত। কিন্তু এই বৈশ্বিক বিপর্যয়কে ছাড়িয়ে গেছে গাঙ্গেয় উপত্যকার আর্সেনিক দূষণ। সম্প্রতি ভূগর্ভস্থ পানির উত্তোলন বেড়ে যাওয়ায় এই দূষণ আরো বেড়ে গেছে। আর্সেনিক প্রথম ধরা পড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে, আর সব থেকে বেশি চাঁদপুরে।
আমিষের সহজলভ্য উৎস হলো-
ক
কলা
খ
সামুদ্রিক মাছ
গ
চীনাবাদাম
ঘ
চাল
সঠিক উত্তর:
খ (সামুদ্রিক মাছ)
ব্যাখ্যা:
চীনাবাদাম স্নেহের উৎস । চাল শর্করার উৎস । কলা লৌহ নামক খনিজ লবণের উৎস। সামুদ্রিক মাছ আমিষের উৎস।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)