মানবদেহ
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - মানবদেহ MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 278 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 19আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে-----
ক
অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
খ
ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
গ
এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড
ঘ
অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
সঠিক উত্তর:
ক (অক্সিজেন ও গ্লুকোজ)
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যাঃ আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে অক্সিজেন ও খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটিএসিড) গ্রহণ করে। পক্ষান্তরে রক্ত দেহকোষ থেকে বিপাকের ফলে উৎপন্ন পদার্থ ও CO² গ্রহণ করে। রক্তের হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহন করে অক্সি - হিমোগ্লোবিন রূপে।
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে ------
ক
৭৫ ডিবি
খ
১০৫ ডিবি
গ
১২০ ডিবি
ঘ
৯০ ডিবি
সঠিক উত্তর:
খ (১০৫ ডিবি)
ব্যাখ্যা:
যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে ১০৫ ডিবি। শব্দ উৎসের কম্পাঙ্ক যদি ২০ থেকে ২০, ০০০ হার্জ এর মধ্যে হয় তাহলে মানুষ সেই শব্দ শুনতে পারে। কিন্তু শব্দের তীব্রতা ১০৫ ডেসিবেল সীমার উপরে হলে মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে মানুষকে বধির করে দিতে পারে।
উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায় ----
ক
অক্সিজেন কম
খ
বায়ুর চাপ বেশি
গ
বায়ুর চাপ কম
ঘ
ঠাণ্ডা বেশি
সঠিক উত্তর:
গ (বায়ুর চাপ কম)
ব্যাখ্যা:
নাকের ঝিল্লি শুকিয়ে গেলে , ফেটে গেলে বা সেখানে শক্ত আবরণ সৃষ্টি হলে , উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থাকে ।
নিচের কোন অঙ্গটির গঠনতন্ত্রের একক হচ্ছে অ্যালভিওলাই-
ক
রেচনতন্ত্র
খ
যকৃত
গ
ফুসফুস
ঘ
কংকালতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গ (ফুসফুস)
ব্যাখ্যা:
ফুসফুস ফুসফুস মেরুদণ্ডী প্রাণীর একটি অঙ্গ যা শ্বাস - প্রশ্বাসের কাজে ব্যবহৃত হয়। এই শ্বাসযন্ত্রটির প্রধান কাজ হলো বাতাস থেকে অক্সিজেনকে রক্তপ্রবাহে নেওয়া এবং রক্তপ্রবাহ হতে কার্বন ডাই - অক্সাইডকে বাতাসে নিষ্কাশন করা। এই গ্যাস আদান - প্রদান করা হয় বিশেষায়িত কোষ দ্বারা তৈরী, খুবই পাতলা দেয়াল বিশিষ্ট লক্ষাধিক বায়ু থলির দ্বারা যাকে অ্যালভীওলাই বলে। এর শ্বাসকার্য ছাড়া অন্য কাজও আছে। ফুসফুস সংক্রান্ত মেডিকেল পরিভাষা শুরু হয় পালমো - (pulmo - ), [ল্যাটিন - পালমোনারিয়াস (pulmonarious) (ফুসফুসের)] অথবা নিউমো - (pneumo - )[গ্রিক - πνεύμω ফুসফুস] দ্বারা।
কোনটি রক্তের কাজ নয়?
ক
কলা (Tissue) হতে ফুসফুসে বর্জ্য পদার্থ বহন করা
খ
হরমোন বিতরণ করা
গ
জারক রস (enzyme) বিতরণ করা
ঘ
ক্ষুদ্রান্ত্র হতে কলাতে খাদ্যের সারবস্তু বহন করা
সঠিক উত্তর:
গ (জারক রস (enzyme) বিতরণ করা)
ব্যাখ্যা:
রক্তের কাজ : ১ । রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে । ২ । লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে । ৩ । শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়য় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে । ৪ । দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে সস্থানে রক্ত জমাট বাঁধায় । ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয় । ৫ । রক্তরসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড , ইউরিয়া , হজমকৃত খাদ্যবস্তু ( যথা : গ্লুকোজ , অ্যামিনো এসিড , ফ্যাটি এসিড , গ্লিসারল ), হরমোন ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয় ।
নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয় ----
ক
ধমনির ভেতর দিয়ে
খ
স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
গ
ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে
ঘ
শিরার ভেতর দিয়ে
সঠিক উত্তর:
ক (ধমনির ভেতর দিয়ে)
ব্যাখ্যা:
ধমনি ইন্ট্রাক্রেনিয়াল অ্যানিউরিজম ইন্ট্রাক্রেনিয়াল অ্যানিউরিজম (ইংরেজি: Intracranial aneurysm ) বা মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম হচ্ছে এক প্রকার সেরিব্রোভাসকুলার রোগ। এই রোগে মস্তিষ্কের ধমনি বা শিরায় দুর্বলতার সৃষ্টি হয় যার ফলশ্রুতিতে রক্তবাহিকার আক্রান্ত স্থান প্রসারিত হয়ে বেলুনের মতো আকার ধারণ করে। মস্তিষ্কের পেছনের অংশের রক্তবাহিকায় (বেসিলার ধমনি, ভার্টিব্রাল ধমনি, এবং পোস্টেরিয়র কমিউনিকেটিং ধমনি) সৃষ্ট অ্যানিউরিজমের ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। বেসিলার ধমনির অ্যানিউরিজমের পরিমাণ অন্তঃকরোটির অ্যানিউরিজমগুলোর মধ্যে ৩% - ৫% তবে মস্তিষ্কের পেছনের অংশে থাকা রক্তবাহিকাগুলোর মধ্যে এ ধরনের অ্যানিউরিজম - ই সবচেয়ে প্রচলিত।
মানুষের চোখের রঙ নিয়ন্ত্রন করে -
ক
DNA
খ
নিউক্লিয়াস
গ
সেন্ট্রোমিয়ার
ঘ
RNA
সঠিক উত্তর:
ক (DNA)
ব্যাখ্যা:
ডিএমএ ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: DNA ) একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। সকল জীবের ডিএনএ জিনোম থাকে। একটি সম্ভাব্য ব্যতিক্রম হচ্ছে কিছু ভাইরাস গ্রুপ যাদের আরএনএ জিনোম রয়েছে, তবে ভাইরাসকে সাধারণত জীবন্ত প্রাণ হিসেবে ধরা হয় না। কোষে ডিএনএর প্রধান কাজ দীর্ঘকালের জন্য তথ্য সংরক্ষন। জিনোমকে কখনও নীলনকশার সাথে তুলনা করা হয় কারণ, এতে কোষের বিভিন্ন অংশে যেমনঃ প্রোটিন ও আরএনএ অণু, গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী থাকে। ডিএনএর যে অংশ এ জিনগত তথ্য বহন করে তাদের বলে জিন, কিন্তু অন্যান্য ডিএনএ ক্রমের গঠনগত তাৎপর্য রয়েছে অথবা তারা জিনগত তথ্য নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। ইউক্যারিয়ট যেমন প্রাণী ও উদ্ভিদে, ডিএনএ নিউক্লিয়াসের ভিতরে থাকে, তবে প্রোক্যারিয়ট যেমন ব্যাকটেরিয়াতে, ডিএনএ কোষের সাইটোপ্লাজমে থাকে। উৎসেচকের মত ডিএনএ অধিকাংশ জৈবরসায়ন বিক্রিয়ায় সরাসরি অংশ নেয় না; মূলত, বিভিন্ন উৎসেচক ডিএনএর উপর কাজ করে এর তথ্য নকল করে রেপ্লিকেশনের মাধ্যমে আরো ডিএনএ তৈরি করে, অথবা অনুলিপি তৈরি ও রুপান্তর ঘটিয়ে একে প্রোটিনে পরিনত করে। ক্রোমোজোমের ক্রোমাটিন প্রোটিন যেমন হিস্টোন ডিএনএকে ঘনসন্নিবেশিত ও সংগঠিত করে, যা নিউক্লিয়াসের অন্যান্য প্রোটিনের সাথে এর আচরণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। ডিএনএ নিউক্লিওটাইড নামক অণু সরল দিয়ে গঠিত একটি লম্বা পলিমার যা চিনি ও ফসফেট গ্রুপ দিয়ে গঠিত মেরুদন্ডের সাথে যুক্ত। এই মেরুদন্ডে চার ধরনের অণু থাকে যাদের বলে ক্ষার, এই চারটি ক্ষারের ক্রমই তথ্য ধারণ করে। ডিএনএর প্রধান কাজ জিনগত কোড ব্যবহার করে প্রোটিন থেকে অ্যামিনো অ্যাসিড এর ক্রম তৈরি করা। জিনগত কোড পড়ার জন্য কোষ নিউক্লিক অ্যাসিড আরএনএতে ডিএনএর কিছু অংশের নকল তৈরি করে। কিছু আরএনএ নকল প্রোটিন জৈবসংশ্লেষণ নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়, বাকীগুলো সরাসরি রাইবোজোম অথবা স্প্লাইসোজোম এর উপাদান হিসেবে থাকে।
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত?
ক
২০ জোড়া
খ
২৩ জোড়া
গ
২৫ জোড়া
ঘ
২২ জোড়া
সঠিক উত্তর:
খ (২৩ জোড়া)
ব্যাখ্যা:
মানবদেহে সাধারণত ২৩ জোড়া বা ৪৬ টি ক্রোমোজোম থাকে। এর মধ্যে ২২ জোড়া স্ত্রী ও পুরুষে একই রকম, এদেরকে অটোজম বলা হয়। বাকি ১ জোড়া মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করে বলে এদের সেক্স ক্রোমোজোম বলা হয়।
ে কতটি হাড় আছে?
ক
২০০
খ
২০৬
গ
৩০৬
ঘ
২০৮
সঠিক উত্তর:
খ (২০৬)
ব্যাখ্যা:
মানবদেহের ২০৬ টি অস্থির সংখ্যাবিন্যাস - করোটিতে ২২টি, মেরুদণ্ডে ৩৩টি, কাঁধে ৪টি, বক্ষপিঞ্জরে ২৪টি, উরু ফলক ১টি, দুই ঊর্ধ্ব বাহুতে ৬০টি, শ্রোণীচক্রে ২টি, দুই পায়ে ৬০টি, মোট ২০৬টি।
ে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কতদিন?
ক
৭ দিন
খ
১২০ দিন
গ
১৮০ দিন
ঘ
৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
খ (১২০ দিন)
ব্যাখ্যা:
মানবদেহের পরিণত লোহিত রক্ত কণিকা ক্ষুদ্র দ্বিঅবতল ও নিউক্লিয়াস বিহীন চাকতির মতো লাল রঙের কোষ। এর গড় আয়ুষ্কাল ১২০ দিন (অর্থাৎ ৪ মাস)।
মানুষের লালা রসে কোন এনজাইটিম থাকে?
ক
পেপসিন
খ
টায়াসিন
গ
অ্যামাইলেজ
ঘ
ট্রপসিন
সঠিক উত্তর:
খ (টায়াসিন)
ব্যাখ্যা:
আমাদের মুখের মধ্যে তিন জোড়া লালা গ্রন্থি আছে যা থেকে লালা উৎপন্ন হয় । ওই লালা গ্রন্থিগুলোর নাম হলো - প্যারোটিড গ্রন্থি , সাবলিঙ্গুয়াল গ্রন্থি ও সাবম্যান্ডিবুলার গ্রন্থি । লালা জলের মতো , আঠালো ও বর্ণহীন এক তরল পদার্থ । খাদ্যদ্রব্য হজমের জন্য এ খুব প্রয়োজনীয় । এতে থাকে শতকরা ৯৮ ভাগ জল ও ২ ভাগ এনজাইম বা জৈব রাসায়নিক পদার্থ । এর সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ এনজাইমটির নাম ‘ টায়ালিন ।
ের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র -----
ক
স্ফিগমোম্যানোমিটার
খ
কার্ডিওগ্রাফ
গ
ইকোকার্ডিওগ্রাফ
ঘ
স্টেথস্কোপ
সঠিক উত্তর:
ক (স্ফিগমোম্যানোমিটার)
ব্যাখ্যা:
স্ফিগমোম্যানোমিটার মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র,স্টেথস্কোপ হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র, কার্ডিওগ্রাফ হৃৎপিণ্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফ হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা ও রোগ শনাক্তকরণ যন্ত্র।
রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে কোনটি খাওয়া উচিত নয়?
ক
বেলে মাছ
খ
খাশির মাংস
গ
মুরগির মাংস
ঘ
পালং শাক
সঠিক উত্তর:
খ (খাশির মাংস)
ব্যাখ্যা:
কোলেস্টেরল কমানোর সহজ উপায় হচ্ছে ডিমের কুসুম এবং অন্যান্য বেশি কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার পরিহার করা। তবে শুধু খাবারের কোলেস্টেরলই রক্তে কোলেস্টেরল বাড়ানোর জন্য দায়ী নয়। সম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন - মাখন, চর্বিযুক্ত গরুর মাংস ও খাসির মাংসের পরিবর্তে অসম্পৃক্ত চর্বিযুক্ত খাবার যেমন - সয়াবিন তেল, সূর্যমুখী তেল, জলপাইয়ের তেল, মাছ পর্যাপ্ত খাওয়া উচিত।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি?
ক
অক্সিজেন পরিবহন করা
খ
রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
গ
উল্লিখিত সব কয়টিই
ঘ
রোগ প্রতিরোধ করা
সঠিক উত্তর:
ক (অক্সিজেন পরিবহন করা)
ব্যাখ্যা:
রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ অক্সিজেন পরিবহন করে প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেয়া এবং কোষ থেকে কার্বন ডাই - অক্সাইড পরিবহন করে ফুসফুসে নিয়ে আসা। রোগ প্রতিরোধের কাজে নিয়োজিত আছে শ্বেত কণিকা এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অনুচক্রিকা।
মানুষের ক্রোমোজমের সংখ্যা কত
ক
২০ জোড়া
খ
২২ জোড়া
গ
২৪ জোড়া
ঘ
২৩ জোড়া
সঠিক উত্তর:
ঘ (২৩ জোড়া)
ব্যাখ্যা:
মানুষের ক্রেমোজোমের সংখ্যা মোট ২৩ জোড়া। ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)