ধাতব রসায়ন
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - ধাতব রসায়ন MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 111 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 8প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু কোনটি?
ক
টাইটানিয়াম
খ
টাংস্টেন
গ
ইস্পাত
ঘ
হীরক
সঠিক উত্তর:
খ (টাংস্টেন)
ব্যাখ্যা:
-কার্বন একটি অধাতু এবং বিজারক পদার্থ। -কার্বনের দানাদার রূপভেদ হলো- গ্রাফাইট ও হীরক। - প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত বা কঠিন পদার্থ হীরক।হীরক কাচ কাটতে ব্যবহৃত হয়। -উল্লেখ্য, প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে শক্ত ধাতু টাংস্টেন।
সংকর ধাতু পিতলের শতকরা সংযুক্তি
ক
তামা ৯০%+টিন ১০%
খ
তামা ৯০%+ দস্তা ১০%
গ
তামা ৮০ %+টিন ২০ %
ঘ
তামা ৮০%+দস্তা ২০%
সঠিক উত্তর:
ঘ (তামা ৮০%+দস্তা ২০%)
ব্যাখ্যা:
দুই বা ততোধিক ধাতু পরস্পরের সাথে মিশে যে সমসত্ব বা অসমসত্ব মিশ্রণ উৎপন্ন করে সেই কঠিন ধাতব পদার্থকে সংকর ধাতু বলে। (1) পিতল [Brass] :- তামা [Cu] 60-80% এবং দস্তা [Zn] 40-20 % -এর মিশ্রিত ধাতু সংকর । ব্যবহার : বাসনপত্র, নল, টেলিস্কোপ, মূর্তি, ব্যারোমিটার, বিভিন্ন যন্ত্রের অংশ, জলের কল প্রভৃতি প্রস্তুতিতে পিতলের ব্যবহার হয় । (2) কাঁসা [Bell Metal]:- তামা [Cu] 80% এবং টিন [Sn] 20% -এর মিশ্রিত ধাতু সংকর । ব্যবহার : থালা, গ্লাস, মুদ্রা, বাটি, মূর্তি, ঘন্টা প্রভৃতি প্রস্তুতিতে কাঁসার ব্যবহার হয় । (3) ব্রোঞ্জ [Bronze]:- তামা [Cu] 75-90% এবং টিন [Sn] 25-10% -এর মিশ্রিত ধাতু সংকর । ব্যবহার : মূর্তি, থালা, যন্ত্রের বিভিন্ন অংশ, বাসনপত্র, মেডেল, মুদ্রা প্রভৃতি প্রস্তুতিতে ব্রোঞ্জের ব্যবহার হয় ।
কোনটি খর পানিতে ব্যবহার করা উত্তম ?
ক
ডিটারজেন্ট
খ
নিউক্লিয়াস
গ
ক্রোমোসোম
ঘ
লিউক্লোপ্লাস্ট
সঠিক উত্তর:
ক (ডিটারজেন্ট)
ব্যাখ্যা:
✔ডিটারজেন্ট হল একটি কৃত্রিম জৈব যৌগ। এটি হল লম্বা শৃঙ্খলযুক্ত বেঞ্জিন সালফিউরিক অ্যাসিডের একটি সোডিয়াম লবণ। এ এর জামা-কাপড় পরিস্কার করার ক্ষমতা সাবানের চেয়ে বেশি। ✔[i] ডিটারজেন্ট বস্তুটি গন্ধহীন, বর্ণহীন অনুদ্বায়ী কঠিন পদার্থ । [ii] এটি কঠিন ও তরল উভয় প্রকারের হয় এবং এটি একটি জৈব লবণ যা জলে সম্পূর্ণ দ্রবণীয় । [iii] সাধারণ অবস্থায় ডিটারজেন্ট প্রশম পদার্থ কিন্তু জলে দ্রবীভূত করলে ক্ষারীয় হয় । এটি খর পানিতে ব্যবহার করা উত্তম।
টেস্টিং সল্ট এর রাসায়নিক নাম কি ?
ক
সোডিয়াম বাইকার্বনেট
খ
মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট
গ
পটাসিয়াম বাইকার্বনেট
ঘ
সোডিয়াম মনোগ্লুটামেন্ট
সঠিক উত্তর:
খ (মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট)
অ্যালুমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কি বলে ?
ক
ফিটকিরি
খ
চুন
গ
সেভিং সোপ
ঘ
কস্টিক সোডা
সঠিক উত্তর:
ক (ফিটকিরি)
ইস্পাত সাধারণত লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে-
ক
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে কার্বন রয়েছে
খ
লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
গ
সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
ঘ
বিশেষ ধরণের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ক (সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণে কার্বন রয়েছে)
বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারে ব্যবহৃত হয়-
ক
টাংস্টেন তার
খ
নাইক্রোম তার
গ
এন্টিমনি তার
ঘ
কপার তার
সঠিক উত্তর:
খ (নাইক্রোম তার)
ব্যাখ্যা:
∎ বৈদ্যুতিক ইস্ত্রি ও হিটারে ব্যবহৃত হয়---নাইক্রোম তার।
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান -
ক
তামা ও টিন
খ
তামা ও দস্তা
গ
তামা ও সীসা
ঘ
তামা ও নিকেল
সঠিক উত্তর:
খ (তামা ও দস্তা)
কত ক্যারেটবিশিষ্ট সোনা বিশুদ্ধ সোনা ?
ক
১৮ ক্যারেট
খ
২৪ ক্যারেট
গ
২২ ক্যারেট
ঘ
২৬ ক্যারেট
সঠিক উত্তর:
খ (২৪ ক্যারেট)
থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয় কারণ-
ক
গলনাঙ্ক কম
খ
স্ফুটনাংক বেশি
গ
একমাত্র তরল ধাতু
ঘ
অল্প তাপে আয়তন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়
সঠিক উত্তর:
ঘ (অল্প তাপে আয়তন অনেক বেশি বৃদ্ধি পায়)
সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসেবে থাকে------
ক
তামার দন্ড ও দস্তার দন্ড
খ
কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা
গ
তামার দন্ড ও দস্তার কৌটা
ঘ
তামার পাত ও দস্তার পাত
সঠিক উত্তর:
খ (কার্বন দন্ড ও দস্তার কৌটা)
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যাঃ সাধারণ ড্রাইসেলে কার্বন দণ্ড ধনাত্বক পাত এবং দস্তার কৌটা ঋনাত্বক পাত হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কার্বন দণ্ডের চারপাশে থাকে কার্বন গুড়ো এবং ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড। ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইড ছদন নিবারক হিসাবে কাজ করে। দস্তার কৌটা এবং কার্বন গুড়ো ও ম্যাঙ্গানিজ অক্সাইডের মাঝে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের ঘন পেস্ট থাকে যা বিদ্যুৎ উত্তেজক হিসাবে কাজ করে। ড্রাই সেল শুস্ক কোষ নামেও পরিচিত।
সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হলো------
ক
তামা ও টিন
খ
তামা ও নিকেল
গ
তামা ও সীসা
ঘ
তামা ও দস্তা
সঠিক উত্তর:
ঘ (তামা ও দস্তা)
ব্যাখ্যা:
ব্যাখ্যাঃ পিতল বা ব্রাস একটি সংকর ধাতু। উপাদানঃ তামা ৮০%, দস্তা (জিঙ্ক) - ২০%। Cu(80%) + Zn(20%)
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন। কারণ এতে ----
ক
বিশেষ ধরনের আকরিক ব্যবহার করা হয়েছে
খ
লোহাকে টেম্পারিং করা হয়েছে
গ
সব বিজাতীয় দ্রব্য বের করে দেয়া হয়েছে
ঘ
সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে
সঠিক উত্তর:
ঘ (সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে)
ব্যাখ্যা:
ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে । ইস্পাত একটি লোহা ও কার্বনের সংকর যাতে মান ভেদে মোট ওজনের ০ .২% থেকে ২.১% কার্বন থাকে। ম্যাংগানিজ, ক্রোমিয়াম, ভ্যানাডিয়াম এবং ট্যাংস্টেন লোহার সাথে ব্যবহৃত হলেও কার্বন সবচেয়ে সাশ্রয়ী। লোহার সাথে এই ধাতুগুলো যুক্ত হয়ে লোহার দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে।নিন্ম গলনাংক ও ঠালাই যৌগ্যতার জন্য উচ্চ কার্বনযুক্ত সংকর ঠালাই লোহা (কাস্ট আয়রণ) নামে পরিচিত।ইস্পাত সাধারণ লোহা থেকে ভিন্ন, কারণ এতে সুনিয়ন্ত্রিত পরিমাণ কার্বন রয়েছে ।
তামা ও টিনের মিশ্রনে কি হয়?
ক
পিতল
খ
ডুরালমিন
গ
লোহা
ঘ
কাঁসা/ব্রোঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ (কাঁসা/ব্রোঞ্জ)
ব্যাখ্যা:
ব্রোঞ্জএক প্রকারেরসংকর ধাতু। সাধারণততামারসাথে বিভিন্ন অনুপাতেটিনমিশিয়ে ব্রোঞ্জ প্রস্তুত করা হয়। তবে অনেক সময় টিন ছাড়াও এতেদস্তা, ম্যাঙ্গানিজ, অ্যালুমিনিয়াম, নিকেল, প্রভৃতি ধাতুও মিশানো হয়। ব্রোঞ্জ বেশ শক্ত ও নমনীয় এবং নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে এটি ব্যবহার করা সম্ভব। মানব সভ্যতার ইতিহাসের একটি পর্যায়কেব্রোঞ্জ যুগবলে অভিহিত করা হয়, কারণ সে সময় ব্রোঞ্জের অস্ত্র ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার বহুল প্রচলিত ছিল। সাধারণতব্রোঞ্জেতামার ভাগ থাকে অন্তত ৬০ শতাংশ; এর সাথে টিনের ভাগ থাকে ১২% ও তার সাথে মিশেল থাকে আরও অন্যান্য নানা ধাতু (উপরে উল্লিখিত) ও এমনকী নানা অধাতব পদার্থ ওধাতুকল্পও, যেমন - আর্সেনিক, ফসফরাস, সিলিকন, প্রভৃতি। অর্থাৎ, ধাতুবিজ্ঞানেরভাষায়ব্রোঞ্জএকটি নির্দিষ্ট সংকর ধাতু নয়, বরং তামা ও টিনের সাথে বিভিন্ন অনুপাতে অন্যান্য পদার্থের মিশ্রণে তৈরি একগুচ্ছ সংকর ধাতুকে একত্রে 'ব্রোঞ্জ' বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। Cu + Sn প্রাগৈতিহাসিক মানুষনব্যপ্রস্তরযুগেরশেষে এসে যখন ধাতুর ব্যবহার শেখে, সেই সময় থেকেলোহারব্যবহার বহুল প্রচলিত হওয়ার আগে পর্যন্ত, সবচেয়ে শক্ত অথচ নমনীয় এবং ব্যবহারযোগ্য পদার্থ হিসেবে ব্রোঞ্জের ব্যবহারই হয়ে উঠেছিল সর্বাধিক প্রচলিত। এই সময়কেই ইতিহাসেব্রোঞ্জ যুগবলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। নিকট প্রাচ্যেখ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতেসুমের সভ্যতারউত্থানের সাথে সাথে ব্রোঞ্জ যুগের সূচনা বলে ধরা হয়;চীনএবংভারতীয় উপমহাদেশেওমোটামুটি ঐ একই সময়ে ব্রোঞ্জের ব্যবহার শুরু হয়। এরপর তা ধীরে ধীরেইউরেশিয়ারবিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ১৩০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ নাগাদ নিকট প্রাচ্যে লোহার ব্যবহার শুরু হলে ৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে তা ধীরে ধীরে সমগ্র ইউরেশিয়াতেই ছড়িয়ে পড়ে। ফলে ব্রোঞ্জ যুগের অবসান হয়েলৌহ যুগেরসূচনা হয়। তবে তখনও ব্রোঞ্জের ব্যবহার আজকের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণেই চালু ছিল।
আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ----
ক
কম্পিউটার
খ
ফটোলিথোগ্রাফী
গ
প্রসেস ক্যামেরা
ঘ
অফসেট পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
খ (ফটোলিথোগ্রাফী)
ব্যাখ্যা:
মুদ্রণ মুদ্রণ একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি প্রধান গঠন বা মাপদন্ড থেকে লেখা ও ছবির প্রতিলিপি তৈরি করা হয়। মুদ্রণের প্রথমদিকের কাজের উদাহরণের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত সিলিন্ডার সীল ও অন্যান্য বস্তু যেমন সাইরাস সিলিন্ডার এবং সিলিন্ডার অফ নাবোনিদাস। কাঠের টুকরায় মুদ্রণের সূচনা ঘটে চীনে প্রায় ২২০ খ্রিস্টাব্দে। পরবর্তীতে এর উন্নয়ন হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয় বর্ণ সহজে পরিবর্তনযোগ্য ধরনের মুদ্রণ ব্যবস্থা, প্রায় ১০৪০ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ চীনে বি শেং তৈরি করেন এটি। ইয়োহানেস গুটেনবার্গ যান্ত্রিক পরিবর্তনযোগ্য ধরনের মুদ্রণ ব্যবস্থা ইউরোপে ১৫ শতাব্দীতে চালু করেন। তার ছাপাখানা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে রেনেসাঁ যুগের, সংস্কারের, আলোকিত যুগের এবং বৈজ্ঞানিক বিপ্লব উন্নয়নের এবং এটি আধুনিক জ্ঞান - ভিত্তিক অর্থনীতির উপাদানের ভিত্তি স্থাপন করে এবং জনগণের মধ্যে শিক্ষার প্রসার ঘটায়। আধুনিক বড় মাপের মুদ্রণগুলো সাধারণত ছাপাখানা ব্যবহার করে করা হয়, অন্যদিকে ছোট মাপের মুদ্রণগুলো সম্পন্ন করা হয় প্রায় বিনামূল্য - ধরনের আধুনিক মুদ্রাকর দ্বারা। যদিও কাগজ হল - মুদ্রণ করার সবচেয়ে সাধারণ উপাদান, তবুও মুদ্রণ প্রায়শই ধাতু, প্লাস্টিক, কাপড় ও যৌগিক পদার্থের উপরেও করা হয়। কাগজের মুদ্রণের ক্ষেত্রে এটা প্রায়ই একটি বড় মাপের শিল্প প্রক্রিয়ায় করা হয় এবং এটি একটি অপরিহার্য অংশ প্রকাশনা ও লেনদেনের ক্ষেত্রে।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)