কোষ
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - কোষ MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 49 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 4সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে -----
ক
ট্রান্সফরমার
খ
স্টোরেজ ব্যাটারি
গ
ক্যাপাসিটার
ঘ
জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
খ (স্টোরেজ ব্যাটারি)
ব্যাখ্যা:
সৌরকোষের বিদ্যুৎ রাতেও ব্যবহার করা সম্ভব যদি এর সঙ্গে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারী।
বহুকোষী প্রাণি নয়-
ক
তেলাপোকা
খ
অ্যামিবা
গ
মাছ
ঘ
শামুক
সঠিক উত্তর:
খ (অ্যামিবা)
ব্যাখ্যা:
অ্যামিবা এককোষী জীব । আর তেলাপোকা, শামুক, মাছ হচ্ছে বহুকোষী জীব।
কেমোথেরাপির জনক হলেন-
ক
পল এহর্লিক
খ
মাদাম কুরি
গ
গোল্ড সেইন
ঘ
উইলিয়াম রনজেন
সঠিক উত্তর:
ক (পল এহর্লিক)
ব্যাখ্যা:
পল হেইম্যান পল হেইম্যান (জন্ম: সেপ্টেম্বর ১১, ১৯৬৫) হলেন একজন মার্কিন বিনোদন প্রযোজক, লেখক, অভিনয়কারী, মার্কেটার, প্রবর্তক, পেশাদার কুস্তি ম্যানেজার এবং ভাষ্যকার। তিনি বর্তমানে ডাব্লিউডাব্লিউইর সাথে সংযুক্ত রয়েছেন, যেখানে তিনি ডাব্লিউডাব্লিউই র ব্রান্ডের কুস্তিগীর ব্রক লেসনারের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৩ হতে ২০০১ পর্যন্ত হেইম্যান ছিলেন এক্সট্রিম চ্যাম্পিয়নশিপ রেসলিং (ইসিডাব্লিউ) এর মালিক এবং সৃজনশীল শক্তি ছিলেন। ইসিডাব্লিউ এর মালিক এবং সেটি চালানোর পূর্বে, তিনি তার রিংয়ের নাম পল ই. ডেঞ্জারাসলি নামে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশীপ রেসলিং (ডাব্লিউসিডাব্লিউ) এবং অন্যান্য কুস্তি চ্যাম্পিয়নশীপের কুস্তিগীরদের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির লুকিং৪ল্যারি এর সহ - মালিক ছিলেন, যেটি পরবর্তীতে এডভার্টাইসিং এজ এর টপ ১০০ গ্লোবাল মার্কেটার্সের অন্তর্ভুক্ত হয়। ডাব্লিউডাব্লিউইতে, হেইম্যান রেকর্ড ৫ জন ডাব্লিউডাব্লিউই চ্যাম্পিয়নের ম্যানেজার ছিলেন: ব্রক লেসনার, বিগ শো, কার্ট এঙ্গেল, রোব ভ্যান ড্যাম এবং সিএম পাংক। সমালোচকরা তার কুস্তিগীরদের পরিচালন করার এবং মাইকে কথা বলার যোগ্যতার প্রশংসা করে থাকেন। হেইম্যান বিক্ষিপ্তভাবে কয়েকটি কুস্তি খেলাতেও অংশগ্রহণ করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য ম্যাচ হলো ২০০২ সালের র‍্যাবেলিয়নে ডাব্লিউডাব্লিউই চ্যাম্পিয়নশিপের খেলাটি।
Adult Cell ক্লোন করে যে ভেড়ার জন্ম হয়েছে তার নাম দেয়া হয়েছে -----
ক
শেলী
খ
মলি
গ
নেলী
ঘ
ডলি
সঠিক উত্তর:
ঘ (ডলি)
ব্যাখ্যা:
স্কটল্যান্ডের এডিনবরার রোসলিন ইনস্টিটিউটের সামনে ১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই ক্লোন ভেড়া ডলির জন্ম হয়। রোসলিন ইনস্টিটিউটের ভ্রুণতত্ত্ববিদ ড. আয়ান উইলট ভেড়াটিক ক্লোন করেন। ১৯৯৭ সালে ডলির জন্মের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।
মানুষের হৃৎপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ থাকে?
ক
দুটি
খ
ছয়টি
গ
আটটি
ঘ
চারটি
সঠিক উত্তর:
ঘ (চারটি)
ব্যাখ্যা:
মানুষের হৃৎপিণ্ড সম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। উপরের দুটি পুরু প্রাচীরযুক্ত ডান ও বাম অলিন্দ এবং নিচের দুটি পুরু প্রাচীরযুক্ত ডান ও বাম নিলয়।
ফটোইলেকট্রিক কোষের উপর আলো পড়লে কি উৎপন্ন হয়?
ক
বিদ্যুৎ
খ
চুম্বক
গ
কিছুই হয় না
ঘ
তাপ
সঠিক উত্তর:
ক (বিদ্যুৎ)
ব্যাখ্যা:
ফটোইলেকট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলোক পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রুপান্তরিত হয়। গতিশীল চার্জের কারণে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।
নিম্নের কোন বাক্যটি সত্য নয়?
ক
পদার্থের নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন থাকে
খ
ইলেকট্রন ঋণাত্মক আধানযুক্ত
গ
ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ভিতরে অবস্থান করে
ঘ
প্রোটন ধনাত্মক আধানযুক্ত
সঠিক উত্তর:
গ (ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ভিতরে অবস্থান করে)
ব্যাখ্যা:
পদার্থের অভ্যন্তরস্থ পরমাণুর নিউক্লিয়াসে ধনাত্মক আধানযুক্ত প্রোটন ও আধানহীন নিউটন থাকে। আর নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঋণাত্মক আধান যুক্ত ইলেকট্রন নির্দিষ্ট কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে। উল্লেখ্য , এক্ষেত্রে একমাত্র ব্যতিক্রম হলো হাইড্রোজেন , যার নিউক্লিয়াসে শুধু প্রোটন থাকে।
আকৃতি, অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী টিস্যু কত ধরনের?
ক
২
খ
৪
গ
৫
ঘ
৩
সঠিক উত্তর:
ঘ (৩)
ব্যাখ্যা:
আবরণী কলা শরীরের প্রধান কলার অন্যতম । ত্বকের উপরিভোগ , শ্বাসনালী, পরিপাক নালী ও মুত্র জনননালীর অভ্যন্তরভাগ এ কলা দ্বারা আবৃত। আকৃতি অবস্থান ও কাজের প্রকৃতিভেদে আবরণী কলা (Epithelium tissue ) তিন প্রকার। যথা : ১ স্কোয়ামাস (আইশাকার ) ২. কিউবয়ডাল (ঘনাকার ) এবং কলামনার (স্তম্ভাকৃতি ) এপিথেরিয়াল টিস্যু।
রক্তে শ্বেতকণিকা কোষ বেড়ে যাওয়াকে বলে-
ক
সিনসিটিয়াম
খ
লিউকোমিয়া
গ
লিউকোপেনিয়া
ঘ
লিউকোপোয়েসিস
সঠিক উত্তর:
খ (লিউকোমিয়া)
ব্যাখ্যা:
রক্তে শ্বেতকণিকা কোষ বেড়ে যাওয়াকে বলে - লিউকোমিয়া। লিউকেমিয়া রক্ত বা অস্থিমজ্জার ক্যান্সার । অধিকাংশ ক্ষেত্রে এর প্রধান লক্ষণ রক্তকণিকার, সাধারণত শ্বেত রক্তকণিকার অস্বাভাবিক সংখ্যাবৃদ্ধি। রোগটির নামই হয়েছে এর থেকে - লিউক~ অর্থাৎ সাদা, হিমো~ অর্থাৎ রক্ত। রক্তে ভ্রাম্যমান এই শ্বেত রক্ত কণিকাগুলি অপরিণত ও অকার্যকর। রক্ত উৎপাদনকারী অস্থিমজ্জার মধ্যে এদের সংখ্যাধিক্যের ফলে স্থানাভাবে স্বাভাবিক রক্তকণিকা উৎপাদন ব্যাহত হয়।
আমাদের দেহ কোষে প্রায় শতকরা কত অংশ পানি?
ক
৬০%
খ
৭০%
গ
৮০%
ঘ
৬৫%
সঠিক উত্তর:
খ (৭০%)
ব্যাখ্যা:
আমাদের দেহুকোষ প্রায় ৬০ - ৭০ ভাগ পানি থাকে।
হাড়ের কোষের নাম-
ক
Fibroblast
খ
Ependymal cell
গ
Osteoblast
ঘ
Chondroblast
সঠিক উত্তর:
গ (Osteoblast)
ব্যাখ্যা:
Osteoblasts are cells with a single nucleus that synthesize bone . However, in the process of bone formation , osteoblasts function in groups of connected cells. Individual cells cannot make bone. A group of organized osteoblasts together with the bone made by a unit of cells is usually called the osteon .Osteoblasts are specialized, terminally differentiated products of mesenchymal stem cells .
হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে কি বলা হয়?
ক
সিস্টোল
খ
উভয়ই সত্য
গ
কোনোটিই নয়
ঘ
ডায়াস্টোল
সঠিক উত্তর:
ঘ (ডায়াস্টোল)
ব্যাখ্যা:
হৃদপিণ্ডের সংকোচন শেষ হবার পরে এর চেম্বার বা নিলয়গুলি শিথিল হয়ে তাতে আবার রক্ত এসে জমা হয় , পরের সংকোচনের প্রস্তুতি হিসেবে । এই সময়টাকে বলা হয় ডায়াস্টোল । আর এসময়ের রক্তচাপকেই বলা হয় ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ । স্বাভাবিকভাবে ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ হবে ৮০ মিলিমিটার মার্কারি অথবা তার কম । উচ্চ রক্তচাপ থাকলে শান্ত অবস্থাতেও এর মান বেশী হতে পারে । আর পানিশূন্যতায় বা অতিরিক্ত রক্তপাতের ফলে ডায়াস্টোলিক হাইপোটেনশন দেখা দিতে পারে ।
প্লাস্টিডবিহীন উদ্ভিদ কোনটি?
ক
Riccia
খ
Cycas
গ
Spirogyra
ঘ
Agaricus
সঠিক উত্তর:
ঘ (Agaricus)
ব্যাখ্যা:
আগারিকাস হ ' ল মাশরুমের একটি জেনাস যা ভোজ্য এবং বিষাক্ত উভয় প্রজাতিরই রয়েছে , সম্ভবত বিশ্বব্যাপী প্রায় ৩০০ সদস্য রয়েছে ।
হৃৎপিন্ডের প্রকোষ্ঠর প্রসারণকে বলা হয়--
ক
সিস্টোল
খ
কার্ডিয়াক ফেইলর
গ
ডায়াস্টোল
ঘ
কার্ডিয়াক অ্যারেক্ট
সঠিক উত্তর:
গ (ডায়াস্টোল)
ব্যাখ্যা:
হৃৎপিণ্ডের সংকোচন কে বলে - সিস্টোল হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ কে বলে - ডায়াস্টোল কোনো কারণে হৃৎপিণ্ড পাম্প করা বন্ধ হয়ে গেলে তাকে বলে - কার্ডিয়াক ফেইলর
ের প্রাণশক্তি বলা হয় কোনটিকে?
ক
মাইটোকন্ড্রিয়া
খ
ক্রোমোজম
গ
লিকোপ্লাস্ট
ঘ
নিউক্লিয়াস
সঠিক উত্তর:
ক (মাইটোকন্ড্রিয়া)
ব্যাখ্যা:
কোষের প্রাণশক্তি বলা হয় মাইটোকন্ড্রিয়া । মাইটোকনড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বলে। খাদ্যের শক্তি নির্গত হয়ে মাইটোকন্ড্রিয়াতে সঞ্চিত থাকে। এবং ওই শক্তি কোষের প্রয়োজনীয় শক্তির যোগান দেয়। তাই মাইটোকন্ড্রিয়াকে কোষের শক্তিঘর বা পাওয়ার হাউজ বলা হয়।বিজ্ঞানী বেন্দা ১৮৯৮ সালে মাইটোকন্ড্রিয়ার নামকরণ করেন।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)