বিশ্বের দীর্ঘতম, ক্ষুদ্রতম, বৃহত্তম ও উচ্চতম
ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থা বিষয়ের বিশ্বের দীর্ঘতম, ক্ষুদ্রতম, বৃহত্তম ও উচ্চতম অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান। বিসিএস ও চাকরির সেরা প্রস্তুতি। — পৃষ্ঠা 2
মোট 124 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 9বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কতটি?
ক
১৭ টি
খ
৬৪ টি
গ
১৯ টি
ঘ
২০ টি
সঠিক উত্তর:
ক (১৭ টি)
ব্যাখ্যা:
১৯৪৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডে জেলার সংখ্যা ছিল ১৬ টি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে প্রাপ্ত অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৭ তম জেলা ' কুষ্টিয়া' গঠিত হয় । পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি বৃহত্তর বরিশাল জেলা থেকে ' পটুয়াখালী' (১৮ তম ) এবং একই সালের ১ ডিসেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে 'টাঙ্গাইল' (১৯ তম) জেলা আত্মপ্রকাশ করে। জেলা হিসেবে গঠিত হয় জামালপুর । তারপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারিখ ও প্রজ্ঞাুপন মূলে দেশে জেলার সংখ্যা হয় ৬৪ টি ।]
বিশ্বের সর্ববৃহৎ মুসলমানদের দেশ কোনটি ?
ক
পাকিস্তান
খ
সৌদি আরব
গ
ইন্দোনেশিয়া
ঘ
ইরাক
সঠিক উত্তর:
গ (ইন্দোনেশিয়া)
ব্যাখ্যা:
ইন্দোনেশিয়া দক্ষিণ - পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। ল্যাটিন ইন্ডাস থেকে ইন্দোনেশিয়া শব্দটি এসেছে।[২] ল্যাটিন শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় দ্বীপ। ডাচ উপনিবেশের কারণে তাদের দেয়া নামটি ওই অঞ্চলের জন্য প্রচলিত হয়। ১৯০০ সাল থেকে জায়গাটি ইন্দোনেশিয়া নামে পরিচিতি পায়।[২] প্রায় ৫,০০০ দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত এই দেশটি পৃথিবীর বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম জাকার্তা। সরকারী ভাবে ইন্দোনেশিয়ার নাম ইন্দোনেশীয় প্রজাতন্ত্রী (ইন্দোনেশীয় ভাষায় Republik Indonesia). ধর্ম ও সংস্কৃতি: সরকার ঘোষিত ৬টি ধর্ম হলো ইসলাম, খ্রিষ্টানদের দু’টি গ্রুপ, হিন্দু, বৌদ্ধ ও কনফুসীয়। জনসংখ্যার ৮৬ দশমিক ১ শতাংশ মুসলিম। খ্র্রিষ্টান ধর্মানুসারী ৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সংখ্যা ৩ শতাংশ। বর্তমানে এখানকার সংখ্যাগরিষ্ঠ লোক ইসলাম ধর্মাবলম্বী। ইন্দোনেশিয়া মিশ্র সংস্কৃতির দেশ। দেশটিতে ব্যাপক সাংস্কৃতিক ভিন্নতা রয়েছে। আরবীয়, ভারতীয়, চীনা, মালয় ও ইউরোপীয় সংস্কৃতির মিশেল রয়েছে জীবনাচরণে। আদিবাসী দ্বীপবাসীদের সংস্কৃতির সাথে এখানে বাণিজ্য করতে আসা এশীয় ও ইউরোপীয় লোকেদের সংস্কৃতির মিলন ঘটেছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
ক
মালদ্বীপ
খ
ভ্যাটিকান সিটি
গ
কুয়েত
ঘ
পাপুয়া নিউগিনি
সঠিক উত্তর:
খ (ভ্যাটিকান সিটি)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ ভ্যাটিকান সিটি। ভ্যাটিকান সিটি ইতালির রোম শহরের ভিতরে অবস্থিত স্বাধীন রাষ্ট্র। পোপ এখানকার রাষ্ট্রনেতা। এটি রোমান ক্যাথলিক গির্জার বিশ্ব সদর দফতর হিসেবে কাজ করে। সম্পূর্ণভাবে রোমের অভ্যন্তরে অবস্থিত ভ্যাটিকান সিটি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম রাষ্ট্র, যার আয়তন ১১০ একর।
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
ক
জয়পুরহাট
খ
মেহেরপুর
গ
লক্ষ্মীপুর
ঘ
নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ঘ (নারায়ণগঞ্জ)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ। নারায়ণগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি জেলা। নারায়ণগঞ্জ শহরে এ জেলার প্রশাসনিক সদরদপ্তর অবস্থিত। অত্যন্ত প্রাচীন এবং প্রসিদ্ধ সোনারগাঁও এ জেলার অন্তর্গত। নারায়ণগঞ্জ সোনালী আশঁ পাটের জন্য প্রাচ্যের ড্যান্ডি নামে পরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর একটি বিখ্যাত নদী বন্দর। ৬৮৩.১৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এ জেলাটি বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা। রাজধানী ঢাকার সাথে এ জেলার সীমানা রয়েছে।
বিশ্বের উচ্চতম ভবনের নাম কি?
ক
প্রেট্রোনাস টাওয়ার
খ
ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার
গ
আইফেল টারওয়ার
ঘ
বুর্জ খলিফা
সঠিক উত্তর:
ঘ (বুর্জ খলিফা)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের উচ্চতম ভবনের নাম বুর্জ খলিফা। বুর্জ খলিফা বর্তমানে পৃথিবীর গগনচুম্বী অট্টালিকা বা উচ্চতম ভবন যা ৪ঠা জানুয়ারী ২০১০ তারিখে উদ্বোধন করা হয়েছে। এটি আরব আমিরাতের দুবাই শহরে অবস্থিত। এটি "দুবাই টাওয়ার" নামেও পরিচিত। নির্মাণকালে এর বহুল প্রচারিত নাম বুর্জ দুবাই থাকলেও উদ্বোধনকালে নাম পরিবর্তন করে "বুর্জ খলিফা" রাখা হয়। এটির উচ্চতা ৮২৮ মিটার (২, ৭১৭ ফু)। এটি তাইওয়ানের তাইপে ১০১ টাওয়ার থেকে ১, ০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতর। "তাইপেই ১০১" ভবনটির উচ্চতা ৫০৮ মিটার (১, ৬৬৭ ফু)। ২০০৪ থেকে ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এটিই ছিল পৃথিবীর উচ্চতম স্থাপনা।
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?
ক
হা লং বে
খ
কক্সবাজার
গ
কেপটাউন
ঘ
মিয়ামি
সঠিক উত্তর:
খ (কক্সবাজার)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার (বাংলাদেশে)। এর দৈর্ঘ্য ১২০ কিমি। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পর্যটন কেন্দ্র।
পৃথিবী তথা আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী কোনটি?
ক
আমাজান
খ
নীলনদ
গ
হোয়াংহো
ঘ
মিসিসিপি
সঠিক উত্তর:
খ (নীলনদ)
ব্যাখ্যা:
পৃথিবী তথা আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী নীলনদ। এটি আফ্রিকার ১১টি দেশের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। এটির দৈঘ্য ৬৮২৫ কিমি।
'বান্দুং' কোথায় অবস্থিত?
ক
মালয়েশিয়া
খ
ইন্দোনেশিয়া
গ
মিয়ানমার
ঘ
থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ (ইন্দোনেশিয়া)
ব্যাখ্যা:
Bandung is the capital city of the Indonesian province of West Java.
বর্তমান বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক ক্ষমতাধর রাষ্ট্র--
ক
ভারত
খ
চীন
গ
আমেরিকা
ঘ
জাপান
সঠিক উত্তর:
খ (চীন)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্র হলো - চীন। গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ইতিহাস - এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবরের পর থেকে চীনের মূল ভূখন্ডের ইতিহাস, যখন চীনের গৃহযুদ্ধে চীনা সমাজতান্ত্রিক দল বিজয় লাভ করে এবং মাও সেতুং, বেইজিংয়ের তিয়েনআমেন চত্ত্বরে গণচীনের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে অধিষ্ঠিত হন। "
বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
ক
ঢাকা
খ
চট্টগ্রাম
গ
ময়মনসিংহ
ঘ
রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
ঘ (রাঙ্গামাটি)
ব্যাখ্যা:
সবচেয়ে বড় বিভাগ - চট্টগ্রাম। সবচেয়ে ছোট বিভাগ - ময়মনসিং। আয়তনে বড় জেলা - রাঙামাটি। আয়তনে ছোট জেলা - নারায়নগন্জ। জনসংখ্যায় বড় জেলা - ঢাকা। জনসংখ্যায় ছোট জেলা - বান্দরবন।
মধ্য এশিয়ার বৃহত্তম দেশ কোনটি?
ক
কাজাখস্তান
খ
কিরগিজিস্তান
গ
তাজিকিস্তান
ঘ
উজবেকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ক (কাজাখস্তান)
ব্যাখ্যা:
কাজাকিস্তান মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। দেশটির মোট আয়তন ২৭ লক্ষ ১৭ হাজার ৩ শ' বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক দিয়ে দেশটি বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র। দেশের উত্তর অংশে অবস্থিত আস্তানা শহর দেশটির রাজধানী। এ দেশের ৭০ শতাংশ মানুষই ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী। কাজাকিস্তানের ধর্ম অধিদপ্তরের হিসাব মতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় ২ হাজার মসজিদ রয়েছে।
বান্দুং শহরটি কোন দেশে অবস্থিত?
ক
থাইল্যান্ড
খ
ইন্দোনেশয়া
গ
মালেশিয়া
ঘ
চীন
সঠিক উত্তর:
খ (ইন্দোনেশয়া)
ব্যাখ্যা:
বান্দুং ইন্দোনেশিয়ার একটি শহর। এটি ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী।
বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যু কোথায় অবস্থিত?
ক
কাপ্তাই
খ
ভেড়ামারায়
গ
মংলায়
ঘ
খুলনায়
সঠিক উত্তর:
খ (ভেড়ামারায়)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ ভেড়ামারায় অবস্থিত। ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে। তখন দুটি ইউনিট থেকে মোট ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হতো। প্রতিটি প্ল্যান্টের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিলো ২০ মেগাওয়াট। চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে ১৯৮০ সালে আরো একটি প্ল্যান্ট এখানে নির্মাণ করা হয় যার বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট। দেশের দক্ষিণ - পশ্চিমাঞ্চল ছাড়াও উত্তরাঞ্চলে সীমাহীন লোডশেডিং ও বিদ্যুতের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে থাকে। ২০১০ সালের দিকে ১টি ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন একদমই বন্ধ হয়ে যায়। বাকি দুইটি ইউনিট থেকে ৩০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)