ধাতু
বাংলা ব্যাকরণের ধাতু সম্পর্কিত বিসিএস MCQ। মূল ধাতু, সাধিত ধাতু ও ধাতুর প্রকারভেদ নিয়ে চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নোত্তর।
মোট 30 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 2উচ্চারণ স্থানের নামানুসারে প-বর্গের বর্ণগুলো কি নামে পরিচিত?
ক
কণ্ঠ্যবর্ণ
খ
তালব্যবর্ণ
গ
দন্তবর্ণ
ঘ
ওষ্ঠ্যবর্ণ
সঠিক উত্তর:
ঘ (ওষ্ঠ্যবর্ণ)
ব্যাখ্যা:
প- বর্গীয় ধ্বনিঃ প, ফ, ব, ভ, ম এই পাঁচটি বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণে ওষ্ঠের সঙ্গে অধরের স্পর্শ ঘটে। তাই এদের ওষ্ঠ্য ধ্বনি এবং প্রতীকগুলোকে ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়।
'অগ্রহায়ণ' শব্দের প্রমিত উচ্চারণ হল-
ক
অগ্ গ্রোহায়োন
খ
অগ্রোহায়োন
গ
অগ্ গ্রহায়োন
ঘ
অগ্ গ্রোহায়ন
সঠিক উত্তর:
ক (অগ্ গ্রোহায়োন)
'সাবান' শব্দটি কোন ভাষা হতে এসেছে?
ক
ফারসি আরবি
খ
আরবি
গ
বার্মিজ
ঘ
পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
ঘ (পর্তুগিজ)
ব্যাখ্যা:
আরবি - অন্দর, আজগুবি, আমানত, আসামি, ইশারা,তবলা। পর্তুগিজ - সাবান, মার্কা, জানালা কামিজ, ইস্পাত, তামাক, বেহালা, গুদাম। ফারসি- আইন, কানুন, আড়ং, আমদানি, আমেজ, আন্দাজ।
'রুগণ' বিশেষণের বিশেষ্য রূপ-
ক
রোগী
খ
রোগিনী
গ
রোগাটে
ঘ
রোগ
সঠিক উত্তর:
ঘ (রোগ)
ব্যাখ্যা:
'রুগণ' শব্দের বিশেষ্য 'রোগ'। রোগী বিশেষণ। 'রোগাটে' বিশেষ্য ও বিশেষণ দুটোই হতে পারে।
একই স্বরের পুনরাবৃত্তি না করে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে কী বলে?
ক
পরাগত
খ
সম্প্রকর্ষ
গ
স্বরসঙ্গতি
ঘ
অসমীকরণ
সঠিক উত্তর:
ঘ (অসমীকরণ)
ব্যাখ্যা:
একই স্বরের পুনরাবৃত্তি না করে মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হলে তাকে অসমীকরণ বলে। ধপ + ধপ = ধপাধপ, টপ + টপ = টপাটপ।
কোন বর্ণগুলোকে মাত্রা হবে না?
ক
খ এবং ল
খ
ট এবং ঠ
গ
এ এবং ঐ
ঘ
ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
গ (এ এবং ঐ)
ব্যাখ্যা:
বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ ১০ টি। স্বরবর্ণ ৪টি ( এ,ঐ,ও,ঔ), ব্যঞ্জনবর্গ ৬টি (ঙ,ঞ,ৎ,ং,ঃ)।
নিচের কোনটি বাংলা ধাতু?
ক
গম্
খ
কাট্
গ
গঠ্
ঘ
সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
খ (কাট্)
ব্যাখ্যা:
যেসব ধাতু বা ক্রিয়ামূল সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসেনি সেগুলো হল বাংলা ধাতু। যেমন- কাট্, কাঁদ্, জান্, নাচ্ ইত্যাদি। আর গম্, গঠ্ সংস্কৃত ধাতু। উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
' যা কিছু হারায় গিন্নী বলেন, কেষ্টা বেটাই চোর'- এখানে 'হারায়' কোন ধাতু?
ক
প্রযোজ্য ধাতু
খ
ভাব বাচ্যের ধাতু
গ
সংযোগমূলক ধাতু
ঘ
প্রযোজক ধাতু
সঠিক উত্তর:
ঘ (প্রযোজক ধাতু)
ব্যাখ্যা:
মৌলিক ধাতুর পররে প্রেরনার্থ ( অপরকে নিয়োজিত করা অর্থে) 'আ' প্রত্যয় যোগ করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকেই প্রযোজক বা নিজন্ত ধাতু যা কখন ও কখন ও কর্মবাচ্যের ধাতু বলা হয়। অন্যদিকে নাম ধাতু হলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগে গঠিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু হলো বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সাথে কর, দে ,পা, খা, ছাড় ইত্যাদি মৌলিক ধাতুর সংযোগে গঠিত ধাতু। যেমন - ঘুম (বিশেষ্য) +আ+ ক্রিয়া বিভক্তি = ঘুমাচ্ছে ( নাম ধাতু)। যোগ (বিশেষ্য ) + কর (ধাতু) =যোগ কর (সংযোগমূলক ধাতু)
কোন ধাতুর সঙ্গে পুরুষ ও কালসূচক ক্রিয়া বিভক্তি যোগে সেই ক্রিয়াপদ গঠিত হয় ?
ক
দ্বিকর্মক ক্রিয়া
খ
অকর্মক ক্রিয়া
গ
নাম ধাতুর ক্রিয়া
ঘ
যৌগিক ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
গ (নাম ধাতুর ক্রিয়া)
. বিশেষ্য ও বিশেষণের সাথে ধাতু যুক্ত হয়ে যে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় তাকে বলে-
ক
যৌগিক ক্রিয়া
খ
মিশ্র ক্রিয়া
গ
প্রযোজক ক্রিয়া
ঘ
নাম ধাতুর ক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
খ (মিশ্র ক্রিয়া)
'শূন' কোন ধাতুর উদাহরণ ?
ক
মৌলিক ধাতু
খ
যৌগিক ধাতু
গ
সাধিত ধাতু
ঘ
সংস্কৃত
সঠিক উত্তর:
গ (সাধিত ধাতু)
কাকে বলে?
ক
পদের মূলকে
খ
ভাষার মূলকে
গ
ক্রিয়ার মূলকে
ঘ
শব্দের মূলকে
সঠিক উত্তর:
গ (ক্রিয়ার মূলকে)
মৌলিক ধাতুর অপর নাম কি?
ক
নাম ধাতু
খ
কর্ম ধাতু
গ
মৌলিক ধাতু
ঘ
সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু
সঠিক উত্তর:
ঘ (সিদ্ধ বা স্বয়ংসিদ্ধ ধাতু)
মৌলিক ধাতুকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
ক
৩ ভাগে
খ
৪ ভাগে
গ
৫ ভাগে
ঘ
৬ভাগে
সঠিক উত্তর:
ক (৩ ভাগে)
কয় প্রকার?
ক
২ প্রকার
খ
৩ প্রকার
গ
৪ প্রকার
ঘ
৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
খ (৩ প্রকার)
ব্যাখ্যা:
ধাতু প্রধানত তিন প্রকার। মৌলিক বা সিদ্ধ ধাতু যে সকল ধাতু বিশ্লেষণ করলে কোন প্রত্যয় পাওয়া যায় না বা যারা সয়ংসিদ্ধ ধাতু, তাদেরকে মৌলিক ধাতু কিংবা সিদ্ধ ধাতু বলে। যেমন- _/কর্, _/চল, _/দেখ্। সাধিত ধাতু কোন মৌলিক ধাতু কিংবা নাম শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে সাধিত ধাতু বলে। যেমন- _/কর + আ = _/করা, _/দেখ্ + আ = _/দেখা। সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বিশেষ্য, বিশেষণ ইত্যাদির সাথে যুক্ত হয়ে যে ধাতু গঠন করে তাকে সংযোগমূলক বা যৌগিক ধাতু বলে। যেমন- পূজা কর্, রাজি হ, কষ্ট পা, শাস্তি দে।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)