548
সাম্প্রতিক পরীক্ষা বিষয়ের 548 অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান। বিসিএস ও চাকরির সেরা প্রস্তুতি।
মোট 57 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 4"মোসলেম ভারত' নামক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
ক
মীর মশাররফ হোসেন
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ঘ
মোজাম্মেল হক
সঠিক উত্তর:
ঘ (মোজাম্মেল হক)
মঙ্গলকাব্যের কবি নন কে?
ক
কানাহরি দত্ত
খ
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
গ
মানিক দত্ত
ঘ
দাশু রায়
সঠিক উত্তর:
ঘ (দাশু রায়)
ব্যাখ্যা:
কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি ভারত চন্দ্র রায় গুনাকর অন্নদামঙ্গল নামে মঙ্গল কাব্য রচনা করেন মানিক দত্ত চন্ডী মঙ্গলের আদি ককবি
"বিজুরি' শব্দের প্রতিশব্দ কি?
ক
চপলা
খ
গগন
গ
ছায়া
ঘ
মেঘ
সঠিক উত্তর:
ক (চপলা)
ব্যাখ্যা:
বিজুরি অর্থ বিদুৎ চপলা
"সপ্তমে চড়া" বাগধারাটির অর্থ কী?
ক
প্রচণ্ড উত্তেজনা
খ
প্রবল আনন্দিত
গ
অপ্রত্যাশিত বিপদ
ঘ
রাশভারী
সঠিক উত্তর:
ক (প্রচণ্ড উত্তেজনা)
নিচের কোনটি বঙ্গকামরূপি ভাষা থেকে সৃষ্ট ভাষা?
ক
অসমিয়া
খ
হিন্দী
গ
ব্রজবুলি
ঘ
উড়িয়া
সঠিক উত্তর:
ক (অসমিয়া)
ব্যাখ্যা:
অসমিয়া এবং বাংলা এই দুইটি ভাষা বঙ্গকামরূপী ভাষা থেকে জন্ম লাভ করেছে
তালব্য বর্ণ কোনগুলো?
ক
এ, ঐ
খ
উ, ঊ
গ
ও, ঔ
ঘ
ই, ঈ
সঠিক উত্তর:
ঘ (ই, ঈ)
ব্যাখ্যা:
জিহ্বার তালু থেকে যে বর্ণ উচ্চারিত হয় তাকে তালব্য বর্ণ বলে। এগুলো হলো চ বর্গের বর্ণ। ই, ঈ এই দুটি স্বরবর্ণ তালব্য বর্ণ
নিচের কোনটি পর্তুগিজ শব্দ?
ক
পাউরুটি
খ
ওলন্দাজ
গ
কার্তুজ
ঘ
দারোগা
সঠিক উত্তর:
ক (পাউরুটি)
ব্যাখ্যা:
আনারস, পাউরুটি, পাদ্রী পর্তুগিজ শব্দ
কোন যোজক একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
ক
কারা যোজক
খ
সাপেক্ষ যোজক
গ
সাধারণ যোজক
ঘ
বিকল্প যোজক
সঠিক উত্তর:
খ (সাপেক্ষ যোজক)
ব্যাখ্যা:
যে শব্দ একটি বাক্য বা বাক্যাংশের সঙ্গে অন্য একটি বাক্য বা বাক্যাংশের কিংবা বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায় তাকেযোজকবলে। যেমন– আমি গান গাইবআরতুমি নাচবে। অর্থ এবং সংযোজনের ধরন ও বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী যোজক শব্দপাঁচপ্রকার। এগুলো নিচে আলোচনা করা হলো– ক. সাধারণ যোজক :যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশকে সংযুক্ত করা যায় তাকে সাধারণ যোজক বলে। যেমন– আমিওআমার বাবা বাজারে এসেছি। খ. বৈকল্পিক যোজক :যে যোজক দ্বারা একাধিক শব্দ, বাক্য বা বাক্যাংশের মধ্যে বিকল্প বোঝায় তাকে বৈকল্পিক যোজক বলে। যেমন– তুমিবাতোমার বন্ধু যে কেউ এলেই হবে। গ. বিরোধমূলক যোজক :এ ধরনের যোজক দুটি বাক্যের সংযোগ ঘটিয়ে দ্বিতীয়টি দ্বারা প্রথমটির বিরোধ নির্দেশ করে। যেমন– আমি চিঠি দিয়েছি কিন্তু উত্তর পাইনি। ঘ. কারণবাচক যোজক :এ ধরনের যোজক এমন দুটি বাক্যের মধ্যে সংযোগ ঘটায় যার একটি অন্যটির কারণ। যেমন– আমি যাইনি, কারণ তুমি দাওয়াত দাওনি। ঙ. সাপেক্ষ যোজক :পরস্পর নির্ভরশীল যে যোজকগুলো একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয় তাদের সাপেক্ষ যোজক বলে। যেমন– যদি টাকা দাও তবে কাজ হবে।
“দূর। এ কথা কি বলতে আছে?” এ বাক্যে কোন আবেগ প্রকাশ পেয়েছে?
ক
বিস্ময়
খ
করুণা
গ
বিরক্তি
ঘ
অলংকার
সঠিক উত্তর:
ঘ (অলংকার)
“গুণহীন চিরদিন থাকে পরাধীন" কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক
কর্তায় শূন্য
খ
করণে শূন্য
গ
অপাদানে শূন্য
ঘ
কর্মে শূন্য
সঠিক উত্তর:
ক (কর্তায় শূন্য)
ব্যাখ্যা:
বাক্য-মধ্যস্থ যে পদ ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্তৃপদ বলে এবং ক্রিয়ার সঙ্গে তার যে সম্বন্ধ তাকে কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে 'কে' বা 'কাকে' বা 'কারা' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেই কর্তা।
'স্বখাত সলিল' বাগধারাটির অর্থ কী?
ক
বিনা দোষে শাস্তি পাওয়া
খ
গভীরে যাওয়া
গ
দুঃখে কষ্টে পড়া
ঘ
স্বীয় কর্মের ফল ভোগ করা
সঠিক উত্তর:
ঘ (স্বীয় কর্মের ফল ভোগ করা)
ব্যাখ্যা:
স্বখাত সলিল বাগধারাটির অর্থ নিজ কর্মের ফল ভোগ করা
'উত্তম পুরুষ' উপন্যাসের রচয়িতা কে?
ক
রশীদ করিম
খ
জহির রায়হান
গ
হেলাল হাফিজ
ঘ
শওকত ওসমান
সঠিক উত্তর:
ক (রশীদ করিম)
ব্যাখ্যা:
রশিদ করিমের প্রথম উপন্যাস উত্তম পুরুষ। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো: প্রসন্ন পাষাণ, আমার যত গ্লানি, প্রেম একটি লাল গোলাপ, মায়ের কাছে যাচ্ছি ইত্যাদি।
‘নিজেকে যে নিজেই সৃষ্টি করেছে’ এর বাক্য সংকোচন কি?
ক
সয়ম্ভু
খ
যুধিষ্ঠির
গ
রবাহুত
ঘ
জগদ্ধাত্রী
সঠিক উত্তর:
ক (সয়ম্ভু)
ব্যাখ্যা:
রবাহুত =লোকমুখে রব বা ভোজের খবর শুনে চলে এসেছে এমন। জগৎধাত্রী = জগতের ধাত্রী। যুধিষ্ঠির = যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি।
'বন্ধু বিয়োগ' কাব্যটির রচয়িতা কে?
ক
বিহারীলাল চক্রবর্তী
খ
বুদ্ধদেব বসু
গ
কাদম্বরী দেবী
ঘ
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
ক (বিহারীলাল চক্রবর্তী)
ব্যাখ্যা:
বন্ধুবিয়োগ কাব্যের রচয়িতা বিহারীলাল চক্রবর্তী। বিহারীলাল চক্রবর্তী কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "ভোরের পাখি" উপাধিতে ভূষিত করেন। বিহারীলাল চক্রবর্তী (২১ মে, ১৮৩৫ – ২৪ মে, ১৮৯৪) বাংলা ভাষার কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রথম গীতি-কবি হিসেবে তিনি সুপরিচিত। রবীন্দ্রনাথ তাকে বাঙলা গীতি কাব্য-ধারার 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন। তার সব কাব্যই বিশুদ্ধ গীতিকাব্য। মনোবীণার নিভৃত ঝংকারে তার কাব্যের সৃষ্টি। বাঙালি কবি মানসের বহির্মুখী দৃষ্টিকে অন্তর্মুখী করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। অতি অল্পকালের ভিতরে তিনি বাংলা কবিতার প্রচলিত ধারার পরিবর্তন ঘটিয়ে নিবিড় অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে গীতিকবিতার ধারা চালু করেন। এ বিষয়ে তিনি সংস্কৃত ও ইংরেজি সাহিত্যের মাধ্যমে গভীরভাবে প্রভাবিত হন। বিহারীলাল তার কবিতায় ভাবের আধিক্যকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রকৃতি ও প্রেম, সংগীতের উপস্থিতি, সহজ-সরল ভাষা বিহারীলালের কবিতাকে দিয়েছে আলাদাধারার বৈশিষ্ট্য।
“যে কবিতা শুনতে জানে না, সে আজন্ম ক্রীতদাস থেকে যাবে" কোন কবিতার চরণ?
ক
আমি কিংবদন্তির কথা বলছি
খ
রক্তে আমার অনাদি অস্থি
গ
কবিতা, তোমার দরজায়
ঘ
লোক লোকান্তর
সঠিক উত্তর:
ক (আমি কিংবদন্তির কথা বলছি)
ব্যাখ্যা:
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ (৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৪ - ১৯ মার্চ, ২০০১) বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের পঞ্চাশের দশকের একজন মৌলিক কবি। তার পুরো নাম আবু জাফর মুহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ খান। তার দুটি দীর্ঘ কবিতা 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' এবং 'বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা' আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারে অভূতপূর্ব সংযোজন। ব্যক্তি জীবনে তিনি ছিলেন একজন উচ্চপদস্থ সরকারি আমলা। ১৯৮২ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের কৃষি ও পানি সম্পদ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একুশে পদক লাভ করেছেন। সাহিত্যে অবদান কাব্যের আঙ্গিক গঠনে এবং শব্দ যোজনার বিশিষ্ট কৌশল তার স্বাতন্ত্র্য চিহ্নিত করে। তিনি লোকজ ঐতিহ্যের ব্যবহার করে ছড়ার আঙ্গিকে কবিতা লিখেছেন। প্রকৃতির রূপ ও রঙের বিচিত্রিত ছবিগুলো তার কবিতাকে মাধুর্যমণ্ডিত করেছে। তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: কবিতা, সাত নরীর হার (১৯৫৫), কখনো রং কখনো সুর (১৯৭০), কমলের চোখ (১৯৭৪), আমি কিংবদন্তির কথা বলছি (১৯৮১), সহিষ্ণু প্রতীক্ষা (১৯৮২), প্রেমের কবিতা (১৯৮২), বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা (১৯৮৩), আমার সময় (১৯৮৭), নির্বাচিত কবিতা (১৯৯১), আমার সকল কথা (১৯৯৩), মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)