পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য সাধারণ বিজ্ঞান - পদার্থের অবস্থা ও পরিবর্তন MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক। — পৃষ্ঠা 2
মোট 151 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 11নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জলরাশিতে কোন শক্তি জমা হয়?
ক
স্থিতি শক্তি
খ
যান্ত্রিক শক্তি
গ
গতিশক্তি
ঘ
তড়িৎ শক্তি
সঠিক উত্তর:
ক (স্থিতি শক্তি)
ব্যাখ্যা:
স্বাভাবিক অবস্থান বা অবস্থা থেকে কোনো বস্তুকে অন্য অবস্থান বা অবস্থায় আনলে যে শক্তি সঞ্চিত হয় , তাকে স্থিতিশক্তি বলে ।
কোনটি তেজস্ক্রীয় পদার্থ নয়?
ক
লৌহ
খ
প্লটোনিয়াম
গ
নেপচুনিয়াম
ঘ
ইউরেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
ক (লৌহ)
ব্যাখ্যা:
ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বাতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২ - এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের সংখ্যা, ২৬, অন্যগুলোর ৮২ বা তার বেশি, যার ফলে শুধু লৌহই তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।
তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?
ক
এমপ্লিফায়ার
খ
লাউড স্পিকার
গ
মাইক্রোফোন
ঘ
জেনারেটর
সঠিক উত্তর:
খ (লাউড স্পিকার)
ব্যাখ্যা:
'এমপ্লিফায়ার' বা বিবর্ধক শব্দশক্তিকে জোরালো করে। জেনারেটর যান্ত্রিকশক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তিরত করে এবং মাইক্রোফোন শব্দতরঙ্গকে বিদ্যুৎ প্রবাহে পরিণত করে।
সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয় -----
ক
পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
খ
রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
গ
তেজস্ক্রিয়তার ফলে
ঘ
পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
সঠিক উত্তর:
ঘ (পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে)
ব্যাখ্যা:
দুটি কম ওজনের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সংযোজনে একটি অপেক্ষাকৃত ভারী পরমাণুর গঠন ও ফলস্বরুপ প্রচুর শক্তির উদ্ভব হলো পারমাণবিক ফিউশন পদ্ধতি । যেমন - দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে একটি হিলিয়াম পরমাণু ভর হাইড্রোজেন পরমাণু দুটির ভরের যোগফলের চেয়ে সামান্য কম । এ হারিয়ে যাওয়া ভরই শক্তিতে রুপান্তরিত হয় ও প্রচুর শক্তি পাওয়া যায়। সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে এ পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি হয়।
থার্মোমিটারে কোন পদার্থ থাকে?
ক
সীসা
খ
রুপা
গ
দস্তা
ঘ
পারদ
সঠিক উত্তর:
ঘ (পারদ)
ব্যাখ্যা:
থার্মোমিটার হল তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্র , যা বিভিন্ন মূলনীতি ব্যবহার করে তাপমাত্রা পরিমাপ করে থাকে । থার্মোমিটারকে দুটি প্রধান অংশে ভাগ করা যায় যথা : তাপমাত্রা সংবেদী অংশ যেখানে তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে কোন ভৌত পরিবর্তন সংঘটিত হয় , এবং এই ভৌত পরিবর্তনকে মানে রূপান্তর করার ব্যবস্থা । থার্মোমিটার পারদ থাকে ।
সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি তৈরি করা হয়েছে কোন দেশে?
ক
যুক্তরাষ্ট্র
খ
জাপান
গ
নেপাল
ঘ
ভারত
সঠিক উত্তর:
ক (যুক্তরাষ্ট্র)
ব্যাখ্যা:
বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী Solar Power Station - এর নাম হচ্ছে SEGs ( Solar Energy Generating Systems), যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের মোজাব (Mojave) মরুভূমিতে অবস্থিত। এটি প্রকৃতপক্ষে কোনো একক পাওয়ার প্লান্ট নয় , বরং এটি একত্রে নয়টি পাওয়ার প্লান্ট সহযোগে একটি সোলার পাওয়ার স্টেশন এবং এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৩৫৪ মেগাওয়াট।
কোনটি নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস?
ক
সূর্যরশ্মি
খ
পেট্রোল
গ
প্রাকৃতিক গ্যাস
ঘ
পীট কয়লা
সঠিক উত্তর:
ক (সূর্যরশ্মি)
ব্যাখ্যা:
যেসব শক্তির উৎস অফুরন্ত এবং বারবার ব্যবহার করা যায় তাদেরকে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস । অফুর্ত নয় এবং বারবার ব্যবহারের ফলে একসময় নিঃশেষিত হয়ে যায় সেগুলোকে অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বলে । কয়লা, গ্যাস ,তেল ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস ।
হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
ক
আমিষ
খ
আয়োডিন
গ
লৌহ
ঘ
স্নেহ
সঠিক উত্তর:
ক (আমিষ)
ব্যাখ্যা:
হিমোগ্লোবিন হলাে রক্তের লোহিত কণিকায় বিদ্যমান এক প্রকার শ্বাস রঞ্জক পদার্থ। হিমোগ্লোবিন হিম (4%) নামক লৌহ গঠিত রঞ্জক ও গ্লোবিন (96%) নামক প্রোটিন বা আমিষের সংযোগে গঠিত। হিম হলো লৌহযুক্ত পারফাইরিন যৌগ। হিমোগ্লোবিনের চার অণু প্রোস্থেটিক গ্রুপ হিম, এক অণু গ্লোবিন ও এক পরমাণু লৌহ ফেরাস (Fe + + ) অবস্থায় থাকে। সুতরাং উত্তর হবে (ক) অর্থাৎ আমিষ।
বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণুর শক্তি ----
ক
যুক্ত অবস্থার চাইতে কম
খ
যুক্ত অবস্থার সমান
গ
কোনোটিই সঠিক নয়
ঘ
যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক
সঠিক উত্তর:
ঘ (যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক)
ব্যাখ্যা:
পরমাণুর কেন্দ্র শক্তির অফুরন্ত ভাণ্ডার। বিচ্ছিন্ন অবস্থায় একটি পরমাণু এই শক্তি যুক্ত অবস্থার চাইতে অধিক। উল্লেখ্য, পরমাণুর ইলেকট্রন যত বেশি বাইরের শক্তিস্তরে থাকে এর গতিশক্তি তত বেশি হয়।
অধরা কণার অস্তিত্ব আবিস্কারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী-
ক
মাকসুদল আলম
খ
সেতন্দ্রনাথ ঘোষ
গ
জামান নজরুল ইসলাম
ঘ
এম জাহিদ হাসান
সঠিক উত্তর:
ঘ (এম জাহিদ হাসান)
ব্যাখ্যা:
অধরা কণার অস্তিত্ব আবিস্কারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন পদার্থবিজ্ঞানী - এম জাহিদ হাসান। এম জাহিদ হাসান একজন বাংলাদেশী পদার্থবিজ্ঞানী। তিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। দুনিয়ার সব বস্তুকণাকে বিজ্ঞানীরা দুই দলে ভাগ করেন। এক দলের নাম বসু কণা বা বোসন। আলোর কণা ফোটন এই দলের অন্তর্ভুক্ত। এই কণাগুলো বাঙালি বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু ও অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের সমীকরণ বোস - আইনস্টাইন পরিসংখ্যান মেনে চলে। সেই তত্ত্বানুযায়ী, ২০১২ সালে বিজ্ঞানীরা এই দলের অন্যতম সদস্য হিগস বোসন, যা ঈশ্বর কণা নামে পরিচিত, তা খুঁজে পান।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ শক্তির মূল উৎস কি?
ক
পানির গতিশক্তি
খ
পানির বিভব শক্তি
গ
যান্ত্রিক শক্তি
ঘ
রাসায়নিক শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ (পানির বিভব শক্তি)
ব্যাখ্যা:
পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রে পানির বিভব শক্তিকে গতিশক্তিতে রূপান্তর করা হয়। গতিশক্তির সাহায্যে টারবাইনে ঘূর্ণন গতিশক্তির সৃষ্টি করা হয় এবং তা থেকে ডায়নামোর সাহায্যে তড়িৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় ।
কোনটি জারক পদার্থ নয়?
ক
হাইড্রোজেন
খ
ক্লোরিন
গ
ব্রোমিন
ঘ
অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
ক (হাইড্রোজেন)
ব্যাখ্যা:
জারক পদার্থগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্যকে জারিত করে ও নিজে বিজারিত হয়। অক্সিজেন ,ক্লোরিন ও ব্রোমিন প্রত্যেকই ইলেক্ট্রন গ্রহণ করে, তাই এরা জারক পদার্থ। অন্যদিকে হাইড্রোজেন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাই এটা জারক নয় , বিজারক ।
কোনটি পদার্থ?
ক
বাতাস
খ
তাপ
গ
আলো
ঘ
বিদ্যুৎ
সঠিক উত্তর:
ক (বাতাস)
ব্যাখ্যা:
যার ওজন আছে, আয়তন আছে এবং স্থান দখল করতে সক্ষম তাকে পদার্থ বলে। যেমন - মাটি, পানি, বাতাস, কাঠ, পাথর ইত্যাদি। বিদ্যুৎ তাপ, আলো এগুলো হলো শক্তি।
কোনটি শক্তি?
ক
কয়লা
খ
তাপ
গ
উষ্ণতা
ঘ
গ্যাস
সঠিক উত্তর:
খ (তাপ)
ব্যাখ্যা:
শক্তিকে আমরা বিভিন্নরুপে দেখতে পাই। যেমন - তাপ, বিদ্যুৎ, শব্দ আলোক, চুম্বক, রাসায়নিক ও যান্ত্রিক শক্তি ইত্যাদি।
প্রকৃতিতে সবচাইতে শক্ত পদার্থ নিচের কোনটি ?
ক
পিতল
খ
ইস্পাত
গ
গ্রানাইট
ঘ
হীরা
সঠিক উত্তর:
ঘ (হীরা)
ব্যাখ্যা:
হীরক বা হীরা কার্বনের একটি রুপভেদ। একটি হীরক খন্ড প্রকৃতপক্ষে একটি বৃহৎ অণু। অসংখ্য কার্বন পরমাণু পরস্পরের সাথে বন্ধনযুক্ত হয়ে এই অণু তৈরি করে। একটি হীরক খন্ডকে টুকরো করতে হলে অনেকগুলো শক্তিশালী সমযোজী বিন্ধন ছিন্ন করতে হয় বলে হীরক অত্যন্ত কঠিন এবং সকল পদার্থের মধ্যে কঠিনতম।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)