আলো
আলো MCQ বিসিএস ও সরকারি পরীক্ষার জন্য। আলোর প্রকৃতি, প্রতিফলন, প্রতিসরণ ও অপটিক্স নিয়ে প্রশ্নোত্তর। — পৃষ্ঠা 2
মোট 87 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 6লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?
ক
বেগুনী
খ
হলুদ
গ
কালো
ঘ
সবুজ
সঠিক উত্তর:
গ (কালো)
ব্যাখ্যা:
কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলাে হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। বস্তুটি থেকে নীল আলোক রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসার কারণে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত। হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।
অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন -----
ক
ব্রেইল
খ
ডেভিটবোর
গ
টমাস আলভা এডিসন
ঘ
কপার্নিকাস
সঠিক উত্তর:
ক (ব্রেইল)
ব্যাখ্যা:
ফ্রান্সের নাগরিক লুইস ব্রেইল (Louis Braille) অন্ধ লোকদের লেখা - পড়ার সুবিধার জন্য ব্রেইল (Braille) নামক বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। লুইস ব্রেইল নিজেও একজন অন্ধ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তিন বছর বয়সে একটি দুর্ঘটনার কারণে অন্ধ হয়ে যান এবং অন্ধ হিসেবে সারা জীবন অতিবাহিত করেন।
কোনো বস্তু যখন সমস্ত আলো শোষণ করে তখন তাকে-
ক
কালো দেখায়
খ
লাল দেখায়
গ
সাদা দেখায়
ঘ
নীল দেখায়
সঠিক উত্তর:
ক (কালো দেখায়)
ব্যাখ্যা:
দৃশ্যমান আলো আসলে বিভিন্ন বর্ণের মিশ্রণ। প্রত্যেক বর্ণের নিজস্ব নিজস্ব তরঙ্গদৈর্ঘ্য এবং ফ্রিকুয়েন্সী থাকে। মানুষের দৃশ্যমান আলো শুরু লাল , কমলা থেকে এবং শেষ হয় বেগুনীতে। একটা বস্তু যখন কোনো তরঙ্গকে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে , তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে এবং বস্তুটিকে আমরা সেই তরঙ্গের বর্ণেরই মনে করি। কোনো বস্তু কী রঙ দেখাবে সেটা বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম অর্থাত্ ‍ তরঙ্গগুলিকে শোষণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। আলোক তরঙ্গের মিশ্রণ থেকে কিছু তরঙ্গ কে শোষণ এবং কিছু তরঙ্গ কে প্রতিফলিত করার জন্য প্রতিটি বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম আছে। যখন কোন বস্তুর উপর আলো পড়ে তখন সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। বস্তুটি আলোর তরঙ্গ - মিশ্রণের থেকে বেশ কিছু বা প্রায় সব তরঙ্গই শোষণ করে নিতে পারে। কখনও কখনও আবার শোষণ না করে সমস্ত রঙের তরঙ্গগুলিকেই প্রতিফলিত করে দিতে পারে। বস্তু যখন কোনো তরঙ্গ কে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে।
অপটিক্যাল ফাইবার (Optical fibre) হচ্ছে ----
ক
খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল
খ
খুব সরু এসবেস্টোস ফাইবার নল
গ
সূক্ষ্ম প্লাস্টিক ঘটিত নল
ঘ
খুব সূক্ষ্ম সুপরিবাহী তামার তার তন্তু নল
সঠিক উত্তর:
ক (খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল)
ব্যাখ্যা:
অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু এবং নমনীয় কাচ তন্তুর আলোক নল। আলো বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। যখন আলোক রশ্মি কাচ তন্তুর এক প্রান্ত দিয়ে প্রবশে করে, তখন তন্তুর দেয়ালে বারবার এর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে, যতক্ষণ না অপর প্রান্ত দিয়ে নির্গত হয়।
হীরক উজ্জ্বল দেখার কারণ ----
ক
পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য
খ
প্রতিফলনের জন্য
গ
অপবর্তনের জন্য
ঘ
প্রতিসরণের জন্য
সঠিক উত্তর:
ক (পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্য)
ব্যাখ্যা:
হীরকের বিভিন্ন ধারগুলো এমনভাবে কাটা থাকে যে, তার কোনো এক পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি ভেতরে প্রবেশ করলে প্রতিসরাঙ্ক (২.৪২) বেশি হওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি পৃষ্ঠ দিয়ে আলোকরশ্মি এই বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের জন্যই তা এত উজ্জ্বল দেখায়।
অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর কোন ঘটনাটি ঘটে?
ক
প্রতিসরণ
খ
অপবর্তন
গ
অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
ঘ
বিচ্ছুরণ
সঠিক উত্তর:
গ (অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন)
ব্যাখ্যা:
অপটিক্যাল ফাইবার হচ্ছে খুব সরু ও নমনীয় কাচ তন্তু । যখন আলোক রশ্মি কাচ তন্তুর এক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তন্তুর দেয়ালে বারবার এর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে যতক্ষণ পর্যন্ত না অপর প্রান্ত দিয়ে আলোক রশ্মি নির্গত হয়।
সবুজ আলোতে একটি হলুদ রঙের বস্তুকে কি রঙের দেখাবে?
ক
নীল
খ
সবুজ
গ
হলুদ
ঘ
কালো
সঠিক উত্তর:
ঘ (কালো)
ব্যাখ্যা:
কোনো বস্তু কী রঙ দেখাবে সেটা বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম অর্থাত্ ‍ তরঙ্গগুলিকে শোষণ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে । আলোক তরঙ্গের মিশ্রণ থেকে কিছু তরঙ্গ কে শোষণ এবং কিছু তরঙ্গ কে প্রতিফলিত করার জন্য প্রতিটি বস্তুর একটি বিশেষ ধর্ম আছে । যখন কোন বস্তুর উপর আলো পড়ে তখন সেই আলো প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে । বস্তুটি আলোর তরঙ্গ - মিশ্রণের থেকে বেশ কিছু বা প্রায় সব তরঙ্গই শোষণ করে নিতে পারে । কখনও কখনও আবার শোষণ না করে সমস্ত রঙের তরঙ্গগুলিকেই প্রতিফলিত করে দিতে পারে । বস্তু যখন কোনো তরঙ্গ কে শোষণ না করে প্রতিফলিত করে তখন ঐ তরঙ্গের আলো এসে আমাদের চোখে পড়ে । আমরা তখন সেই বস্তুটিকে দেখতে পাই এবং বস্তুটিকেও সেই তরঙ্গের বর্ণেরই মনে করি ।
কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?
ক
সাদা
খ
হলুদ
গ
লাল
ঘ
কালো
সঠিক উত্তর:
গ (লাল)
ব্যাখ্যা:
লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড় এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম । তাই লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায় । অন্যদিকে সাদা ও কালো কোনো রং নয়। সবগুলো রং যেখান থেকে প্রতিফলিত হয় তাকে দেখা যায় এবং যেখানে সবগুলো রং শোষিত হয় তাকে কালো দেখা যায় । হলুদ রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য লাল ও কমলা রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য থেকে ছোট।
সূর্য থেকে আলো আসা হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে আমরা কতক্ষণ পর তা অনুভব করতে পারি?
ক
৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড
খ
৯ মিনিট ৩২ সেকেন্ড
গ
২৪ সেকেন্ড
ঘ
৮ মিনিট ১০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
ক (৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড)
ব্যাখ্যা:
সূর্য থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীতে আসতে ৮ মি ১৯ সে লাগে। তাই সূর্যের আলো বন্ধ হয়ে গেলেও বন্ধ হওয়ার আগ মূহুর্তের রশ্নি পৃথিবীর দিকে আসবে ৮ মি ১৯ সে এ। আর এর পর আর কোনো রশ্নি আসবে না বিদায় আমরা অন্ধকার দেখব সব। তাই সর্বশেষ রশ্নি আলো বন্ধ হওয়ার পর আসতে ৮ মি ১৯ সে সময় লাগবে বলে আমরা এরপর বুঝতে পারব।
কৃষ্ণগহবর হতে এমনকি আলোও বের হতে পারে না। কারণ-
ক
এর মধ্যাকর্ষণ শক্তি খুবই বেশি
খ
এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি
গ
এদের কোনটাই নয়
ঘ
এতে ভাসমান ধুলিকণা খুবই বেশি
সঠিক উত্তর:
খ (এর মহাকর্ষ শক্তি খুবই বেশি)
ব্যাখ্যা:
মহাকাশের যে অঞ্চল থেকে আলোকে শষ্কু (light cones) নির্গত হয়ে দূরস্থিত কোনো পর্যবেক্ষকের নিকট পৗঁছে না, সে অঞ্চলকেই বলা হয় কৃষ্ণগহ্বর ( Black hole) এ কৃষ্ণগহ্বরের পৃষ্ঠের মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র এমন শক্তিশালী যে, আলোক শস্কুগুলো ভিতর দিকে বেকে যায়। সে বক্রতা এতো বেশি যে, আলোক আর সেখান থেকে নির্গত হতে পারে না।
শব্দের বেগ ৩৩০ মিটার/সেকেন্ড হলে, প্রতিফলনের নুন্যতম কোন দুরত্বে প্রতিধনি শোনা যাবে?
ক
১৬ মিটার
খ
১৬.৫ মিটার
গ
১৭ মিটার
ঘ
১৭.৫ মিটার
সঠিক উত্তর:
খ (১৬.৫ মিটার)
ব্যাখ্যা:
প্রতিধ্বনি শোনার জন্য শব্দকে ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে উৎস থেকে প্রতিফলক পর্যন্ত নির্দিষ্ট দুরত্ব ২ বার অতিক্রম করতে হয়। আমরা জানি, শব্দের বেগ = দুরত্ব/সময় বা, V = 2d/t [এখানে V = 330, t = 0.1, এবং d = দূরত্ব] সুতরাং মান বসিয়ে পাই, 330 = 2d/0.1 বা, 2d = 330×0.1 বা, d = 33/2 সুতরাং d = 16.5 m অর্থাৎ ফলকটি ১৬.৫ মিটার দুরত্বে থাকতে হবে।
র কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবর্তক কে?
ক
নিউটন
খ
প্ল্যাঙ্ক
গ
ম্যাক্সওয়েল
ঘ
হাইগেন
সঠিক উত্তর:
খ (প্ল্যাঙ্ক)
ব্যাখ্যা:
কার্ল আর্নস্ট লুডভিগ মার্কস প্ল্যানক জার্মান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ছিলেন , যার শক্তির কোয়ান্টা আবিষ্কার তাকে 1918 সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার জিতিয়ে ছিল । প্লাংক তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানে অনেক অবদান রেখেছিলেন , কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানী হিসাবে তার খ্যাতি মূলত কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক হিসাবে। তার এই অবদান পারমাণবিক পর্যায়ে মহাবিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বিপ্লব সৃষ্টি করে। 1948 সালে জার্মান বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান কাইজার উইলহেল সোসাইটি ( যার মধ্যে প্লাংক দুবার সভাপতি ছিলেন ) নামকরণ করেন ম্যাক্স প্লাংক সোসাইটি ( এমপিএস ) । এমপিএস এখন 83 টি প্রতিষ্ঠানে বৈজ্ঞানিক নির্দেশিকা বিস্তৃত প্রতিনিধিত্ব করে ।
নিচের কোনটি চোখের একমাত্র আলোক সংবেদী অংশ?
ক
পিউপিল
খ
রেটিনা
গ
অন্ধবিন্দু
ঘ
আইরিশ
সঠিক উত্তর:
খ (রেটিনা)
ব্যাখ্যা:
রেটিনা হচ্ছে চোখের একমাত্র আলো - সংবেদী অংশ । এতে দুই ধরনের আলো - সংবেদী কোষ আছে । রড কোষগুলো লম্বাটে ও রোডপনিস নামক প্রোটিনযুক্ত এবং অনুজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী। কোন কোষগুলো কোণাকৃতি ও আয়োডপসিন নামক প্রোটিন যুক্ত এবং উজ্জ্বল আলোতে দর্শনের উপযোগী ।
দুধের রং সাদা হয় কেন?
ক
প্রোটিনের জন্য
খ
মিনারেলের জন্য
গ
কার্বোহাইড্রেটের জন্য
ঘ
ফ্যাটের জন্য
সঠিক উত্তর:
ক (প্রোটিনের জন্য)
ব্যাখ্যা:
দুধের রং সাদা হয় মূলত ক্যাসেন - এর জন্য। এই ক্যাসেন এক ধরনের প্রোটিন। দুধে এই প্রোটিনই পরিমাণে সবচেয়ে বেশি থাকে। ক্যাসেনে থাকে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। এই ক্যালসিয়াম কিন্তু মানুষের শরীরের জন্য ভীষণ জরুরি। ক্যালসিয়ামই আমাদের শরীরের হাড়গোড় শক্তপোক্ত করে তোলে।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)