আধুনিক বিজ্ঞান
আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি MCQ বিসিএস পরীক্ষার জন্য। নানো প্রযুক্তি, AI, রোবটিক্স ও আধুনিক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার নিয়ে প্রশ্নোত্তর। — পৃষ্ঠা 2
মোট 189 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 13অপ্রধান টেকটনিক প্লেট কোনটি?
ক
কোকাস প্লেট
খ
আফ্রিকার প্লেট
গ
এন্টার্কটিকার প্লেট
ঘ
ইন্দো-অস্ট্রেলীয়
সঠিক উত্তর:
ক (কোকাস প্লেট)
ব্যাখ্যা:
অপ্রধান টেকটনিক প্লেট গুলো হলো-আরব্য প্লেট,ক্যারিবীয়,জুয়ান দে ফুকা প্লেট,কোকাস প্লেট,নাজকা প্লেট,ফিলিপিনীয় প্লেট,স্কশিয়া প্লেট প্রভৃতি।
বায়ু কোন দিকে চাপ দেয়?
ক
উপরের দিকে
খ
নিচের দিকে
গ
পাশের দিকে
ঘ
সবদিকে
সঠিক উত্তর:
ঘ (সবদিকে)
পরিমানের বিবেচনায় বায়ুমন্ডলে অক্সিজেন স্থান-
ক
১ম
খ
২য়
গ
৪র্থ
ঘ
৫ম
সঠিক উত্তর:
খ (২য়)
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান নয় কোনটি?
ক
বায়ুর চাপ
খ
বায়ুর তাপ
গ
বায়ুর আদ্রতা
ঘ
কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ (কোনটিই নয়)
ব্যাখ্যা:
আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপাদান গুলো হলো-বায়ুর তাপ,বায়ুর চাপ,বায়ুপ্রবাহ,বায়ুর আদ্রতা,ও বারিপাত।
বায়ুমন্ডলে নাইট্রাস অক্সাইড এর পরিমান কত?
ক
০.০০০০৫%
খ
০.০০০০৯%
গ
০.০০০৫%
ঘ
০.০০০১২
সঠিক উত্তর:
ক (০.০০০০৫%)
ব্যাখ্যা:
বায়ুমন্ডলের উপাদানসমূহ নাইট্রোজেন-৭৮.০১ % অক্সিজেন-২০.৭১% কার্বন ডাই অক্সাইড-০.০৩% ওজোন-০.০০০১% আরগন-০.৮০% নিয়ন-০.০০১৮% মিথেন-০.০০০০২% হিলিয়াম-০.০০০৫% ক্রিপটন-০.০০০১২% জেনন-০.০০০০৯% হাইড্রোজেন-০.০০০০৫% নাইট্রাস অক্সাইড-০.০০০০৫%
দেহের খণ্ডায়ন এর মাধ্যমে প্রজনন ঘটে নিচের কোনটির?
ক
স্পাইরোগাইরা
খ
মিউকর
গ
উভয়ই
ঘ
কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ (উভয়ই)
ব্যাখ্যা:
Spirogyra,Mucor দেহের খণ্ডায়নের মাধ্যমে প্রজনন ঘটায়।
জেনেটিক ইনফরমেশনের মূল একক কি?
ক
ট্রিপলেট
খ
অনুলিপন
গ
আর এন এ
ঘ
জেনেটিক কোড
সঠিক উত্তর:
খ (অনুলিপন)
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো------
ক
মূল মধ্যরেখা
খ
মকরক্রান্তি রেখা
গ
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ঘ
কর্কটক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
ঘ (কর্কটক্রান্তি রেখা)
ব্যাখ্যা:
কর্কটক্রান্তি বা কর্কটক্রান্তি রেখা (কর্কট মানে কাঁকড়া) বা উত্তর বিষুব পৃথিবীর মানচিত্রে অঙ্কিত প্রধান পাঁচটি অক্ষাংশের একটি। এটি বিষুবরেখা হতে উত্তরে অবস্থিত এবং ২৩ ডিগ্রী ২৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড অক্ষাংশ বরাবর কল্পিত একটি রেখা। এটি বাংলাদেশের প্রায় মাঝামাঝি দিয়ে গেছে। একে ট্রপিক অব ক্যান্সার ও বলা হয়ে থাকে
পৃথিবীর কোন দেশ থেকে প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ উড্ডয়ন করা হয়?
ক
চীন
খ
রাশিয়া
গ
যুক্তরাষ্ট্র
ঘ
জাপান
সঠিক উত্তর:
খ (রাশিয়া)
ব্যাখ্যা:
কৃত্রিম উপগ্রহ কিভাবে কাজ করে কৃত্রিম উপগ্রহ এমনভাবে পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘূর্ণায়মান হয়, যাতে এর গতির সেন্ট্রিফিউগাল বা বহির্মুখীন শক্তি ওকে বাইরের দিকে গতি প্রদান করে - কিন্তু পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ শক্তি একে পৃথিবীর আওতার বাইরে যেতে দেয় না। উভয় শক্তি কৃত্রিম উপগ্রহকে ভারসাম্য প্রদান করে এবং কৃত্রিম উপগ্রহটি পৃথিবীর চতুর্দিকে প্রদক্ষিণ করতে থাকে। যেহেতু মহাকাশে বায়ুর অস্তিত্ব নেই তাই এটি বাধাহীনভাবে পরিক্রমণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহগুলো বৃত্তাকারে পরিক্রমণ করে না, তার গতি ডিম্বাকৃতির। টিভি ও বেতারসংকেত প্রেরণ এবং আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকারী কৃত্রিম উপগ্রহগুলো সাধারণত পৃথিবীথেকে ৩৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করে। পৃথিবী থেকে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে তথ্য পাঠানো হয়, কৃত্রিম উপগ্রহ সেগুলো গ্রহণ করে এবং বিবর্ধিত (এমপ্লিফাই) করে পৃথিবীতে প্রেরণ করে । কৃত্রিম উপগ্রহ দুইটি ভিন্ন কম্পাঙ্কের তরঙ্গ ব্যবহার করে সিগনাল (তথ্য) গ্রহণ এবং পাঠানোর জন্য । কৃত্রিম উপগ্রহ থেকে পৃথিবীতে আসা সিগনাল অনেক দুর্বল বা কম শক্তিসম্পন্ন হয়ে থাকে, তাই প্রথমে ডিস এন্টেনা ব্যবহার করে সিগনালকে কেন্দ্রীভূত করা হয় এবং পরে রিসিভার দিয়ে গ্রহণ করে প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করা হয় । রাশিয়া থেকে স্পুটনিক - ১ উৎক্ষেপণ করা হয়।
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায় -----
ক
রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
খ
কোয়াসার প্রভূতি মহাজাতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
গ
উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
ঘ
রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
সঠিক উত্তর:
গ (উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন)
ব্যাখ্যা:
দূর অনুধাবন (ইংরেজি : Remote Sensing) হল কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে সেই বস্তু হতে তার গুনাবলি সম্পর্কিত উপাত্ত সংগ্রহ করা এবং পর্যবেক্ষন করার এক ধরনের কৌশল । এক্ষেত্রে বিভিন্ন সেন্সর বা ডিভাইস ব্যবহার করা হয় । দূর অনুধাবন হচ্ছে জিওইনফরমেটিক্স এর একটা বড় অংশ । এটা আবার ভূ - বিজ্ঞানের একটি উপশাখা বলা যায় । বর্তমান যুগ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যুগ। মহাকাশ তথা উপগ্রহ প্রযুক্তি আধুনিক যুগের এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে সেটা বলার অপেক্ষাই রাখেনা। রিমোট সেন্সিং প্রযুক্তি বর্তমান মহাকাশ প্রযুক্তির যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ। এটা এমন এক কৌশল যার মাধ্যমে রিমোট সেন্সিং ডিভাইসের দ্বারা কোন বস্তুকে সরাসরি স্পর্শ না করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত এই প্রযুক্তি বলতে তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণের দ্বারা মহাকাশ ও পৃথিবী পর্যবেক্ষণকে অনেকে বুঝিয়ে থাকেন। যদিও এর মানে শুধু মহাকাশ হতে পর্যবেক্ষণ বুঝানো একেবারে ঠিক হবেনা কারণ RADAR ও LIDAR এর সাহায্যে পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে সিগন্যাল পাঠিয়ে রিমোট সেন্সিং এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত তথ্যকে কম্পিউটারের মধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। রিমোট সেন্সিং বিশেষজ্ঞের পদার্থ বিজ্ঞান ও গণিতে যথেষ্ট জ্ঞান থাকা অত্যাবশ্যক । উদাহারন হিসেবে বলা যায় - আকাশে অবস্থিত কৃত্রিম উপগ্রহ বা বিমান থেকে পরিবেশের কোন উপাদানের তথ্য সংগ্রহ । দূর অনুধাবন কৌশলে বেশ কিছু সেন্সর ব্যবহার করা হয় সেগুলো হল - ক্যামেরা লেসার রেডিও তরঙ্গ গ্রহণকারী রিসিভার বা সংগ্রাহক রাডার ব্যবস্থা সনার সীসমোগ্রাফ গ্রাভিমিটারস ম্যাগ্নেটমিটার। উপগ্রহ প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ ও আমাদের বাস যোগ্য পৃথিবীর দুর্গম স্থান পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়েছে। আকাশের উপরে অবস্থিত বিভিন্ন রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট ব্যবহার করে খুব সুন্দরভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণাকারী সংস্থা নাসা সহ ভারত, জাপান, ইউরোপের বিভিন্ন দেশ, উত্তর কোরিয়া, চীন খুব ভাল ভাবে মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য নিয়ে আসছে।
ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাল্পনিক রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে, সেটি হচ্ছে -----
ক
মূল মধ্যরেখা
খ
মকর ক্রান্তি রেখা
গ
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা
ঘ
কর্কট ক্রান্তি রেখা
সঠিক উত্তর:
ঘ (কর্কট ক্রান্তি রেখা)
ব্যাখ্যা:
কর্কট ক্রান্তি ও বিষুবরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চল টেকটনিক পাত - এর সংঘর্ষের ফলে বান্দরবানের নৈসর্গিক পাহাড়ের সৃষ্টি হয়। কর্কট ক্রান্তি ও বিষুবরেখার মধ্যবর্তী অঞ্চল হওয়ায় এখানকার জলবায়ু নাতিশীতোষ্ণ।
মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান কোনটি?
ক
সয়ুজ
খ
ভয়েজার
গ
ভাইকিং
ঘ
এপোলো
সঠিক উত্তর:
গ (ভাইকিং)
ব্যাখ্যা:
মঙ্গলের প্রথম ফ্লাই - বাই করতে সমর্থ হয় নাসার মেরিনার ৪ । ১৯৬৪ সালে এই নভোযান উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল । প্রথম মঙ্গলের ভূ - পৃষ্ঠে অবতরণ করে দুটি সোভিয়েত সন্ধানী যান , মার্স ২ এবং মার্স ৩ । ১৯৭১ সালে উৎক্ষেপিত এই দুটি যানই সোভিয়েত মার্স প্রোব প্রোগ্রাম এর অংশ ছিল । দুঃখের বিষয় হল , অবতরণের মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মাথায় দুটি নভোযানের সাথেই পৃথিবীর মিশন কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় । এরপর ১৯৭৬ সালে শুরু হয় নাসার বিখ্যাত ভাইকিং প্রোগ্রাম । এই প্রোগ্রামে দুটি অরবিটার এবং প্রতিটি অরবিটারের সাথে একটি করে ল্যান্ডার ছিল । দুটি ল্যান্ডারই ১৯৭৬ সালে মঙ্গলের ভূমিতে অবতরণ করে । ভাইকিং ১ ৬ বছর এবং ভাইকিং ২ ৩ বছর কর্মক্ষম ছিল এবং তাদের সাথে এই সময়ে পৃথিবীর যোগাযোগও ছিল । ভাইকিং ল্যান্ডারগুলোই প্রথম মঙ্গলের রঙিন ছবি রিলে করে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিল ।
সুনামির কারণ-
ক
আগ্নেয়গিরি অগ্ন্যুৎপাত
খ
সুর্য গ্রহন
গ
সমুদ্র তলদেশে ভুমিকম্প
ঘ
ঘুর্নিঝড়
সঠিক উত্তর:
গ (সমুদ্র তলদেশে ভুমিকম্প)
ব্যাখ্যা:
সুনামি সুনামি (জাপানি ভাষায়: 津波 [tsɯnami], আক্ষরিক অর্থে 'পোতাশ্রয় ঢেউ' বা 'harbor wave') এক প্রকার জলোচ্ছ্বাস, বস্তুত সুনামিতে পোতাশ্রয়েই সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়। ইংরেজি ভাষায়: tsunami উচ্চারণ: /(t)suːˈnɑːmi/ (t)soo - NAH - mee) হলো সাগর বা নদী বা অন্য কোনো জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদ্গীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস বা ঢেউ।
'এন্টোমোলোজী' কোন বিষয়ের বিজ্ঞান-
ক
পাখী
খ
মাছ
গ
সরীসৃপ
ঘ
কীটপতঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ঘ (কীটপতঙ্গ)
ব্যাখ্যা:
কীটতত্ত্ব কীটতত্ত্ব (বা কীটবিজ্ঞান বা কীটবিদ্যা; ইংরেজি: Entomology ) প্রাণীবিজ্ঞানের ফলিত শাখা যেখানে কীট বা পোকা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়সমুহ বৈজ্ঞানিক উপায়ে আলোচনা করা হয়। কীটতত্ত্ব শব্দটি উংরেজী Entomology শব্দের প্রতিশব্দ। Entomology শব্দটি দুটি গ্রীক শব্দ Entomon অর্থ insect বা কীটপতঙ্গ এবং logos অর্থ knowledge বা জ্ঞান বা আলোচনা থেকে এসেছে। এইট প্রাণিবিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা কীটপতঙ্গ সম্বন্ধে আলোচনা করে। সুতরাং প্রাণিবিজ্ঞানের যে শাখায় কীটপতঙ্গের উৎপত্তি ও বিস্তৃতি, দৈহিক গঠন, পরিস্ফুটন, শ্রেণিবিন্যাস, পরিবেশ, বিবর্তন, অর্থনৈতিক গুরুত্ব প্রভৃতি সম্বন্ধে আলোচনা, পর্যালোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে কীটতত্ত্ব বলে
বজ্রপাতের সময় আপনি নিজের গাড়ি করে যাচ্ছেন। নিজেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য আপনি কোন উপায়টি গ্রহণ করবেন?
ক
গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন
খ
বাইরে এসে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়বেন
গ
বাইরে এসে আকাশের দিকে মুখ করে দাঁড়িয়ে থাকবেন
ঘ
কোনো গাছের তলায় আশ্রয় নিবেন
সঠিক উত্তর:
ক (গাড়ির মধ্যেই বসে থাকবেন)
ব্যাখ্যা:
বজ্রপাতের সময় গাড়িতে অবস্থান করাকে কোনো গাছতলায় বা খালি মাঠে অবস্থান করার চেয়ে নিরাপদ মনে করা হয় । কারন গাড়ির নিচে চাকায় যে বিদ্যুৎ অপরিবাহী টায়ার রয়েছে সেটি গাড়িকে ভূমি থেকে আলাদা করে রাখে । ফলে বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্য দিয়ে আধান প্রবাহের কোনো পথ তৈরি হয় না । যার কারনে গাড়িও থাকে অনেকটা সুরক্ষিত ।
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)