প্রাকৃতিক সম্পদ

ভূগোল, পরিবেশ ও দূর্যোগ ব্যবস্থা বিষয়ের প্রাকৃতিক সম্পদ অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান। বিসিএস ও চাকরির সেরা প্রস্তুতি। — পৃষ্ঠা 2

মোট 247 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 2 / 17
16
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কয়লা খনি কোথায় অবস্থিত ?
ক দিঘীপাড়া (দিনাজপুর)
খ ফুলবাড়িয়া( দিনাজপুর)
গ বড়পুকুরিয়া( দিনাজপুর)
ঘ জামালগঞ্জ ( জয়পুরহাট)
সঠিক উত্তর: গ (বড়পুকুরিয়া( দিনাজপুর))
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কয়লা খনি বড়পুকুরিয়া( দিনাজপুর) অবস্থিত । বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি বাংলাদেশের একমাত্র বাস্তবায়িত কয়লা খনি। এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৫ সালে। এর আয়তন ৬.৬৮ বর্গ কিলোমিটার। মজুদের পরিমান ৩৯০ মিলিয়ন মেট্রিক টন। এখানে বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায়। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির প্রকল্প ব্যয় ২৫১.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর থেকে প্রাপ্ত কয়লা দিয়ে বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।
17
খাদ্য অধিদপ্তর কোন মন্ত্রনালয়ের অধীন? (২০১৭)
ক কৃষি
খ খাদ্য
গ স্থানীয় সরকার
ঘ অর্থ
সঠিক উত্তর: খ (খাদ্য)
ব্যাখ্যা:
খাদ্য অধিদপ্তর খাদ্য মন্ত্রনালয়ের অধীন (২০১৭)। খাদ্য মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়। সকল সময়ে দেশের সকল মানুষের জন্য নির্ভরযোগ্য খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরার উদ্দেশ্যে এই সংস্থাটি গঠিত ও পরিচালিত হয়ে থাকে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তার উন্নয়ন এবং দরিদ্র জনগণের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রদান; নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করণ। খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্য জনগণের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ।
18
বাংলাদেশের ধান উৎপাদনের পরিমাণ (কোটি টন) বছরে কত? (২০০৯)
ক ১
খ ২.৫
গ ৪
ঘ ১.৫
সঠিক উত্তর: খ (২.৫)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের ধান উৎপাদনের পরিমাণ (কোটি টন) বছরে ২.৫ (২০০৯)। ২০০৯ - ১০ অর্থবছরে বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৫৬ লাখ মেট্রিক টন। পরের অর্থবছর তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ কোটি ৭৮ লাখ মেট্রিক টনে। অর্থাৎ ২০১০ - ১১ অর্থবছর ধান উৎপাদনে প্রবৃদ্ধি হয় রেকর্ড ছয় দশমিক ৭৩ শতাংশ।
19
বাংলাদেশের প্রধান ধান চাষ কোনটি?
ক আউশ
খ বোরো
গ ইরি
ঘ আমন
সঠিক উত্তর: খ (বোরো)
ব্যাখ্যা:
ইরি ধান কেই তো বোরো বলা হয়ে থাকে,তাহলে অপশনে ইরি দিলে ভল কেন হবে??
20
বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
ক ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর প্রায়।
খ ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
গ ২ কোটি একর
ঘ ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
সঠিক উত্তর: ক (২ কোটি ১৮ লক্ষ একর প্রায়।)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান ২০২২ অনুযায়ী মোট আবাদযোগ্য জমি : ২,১৮,১৬,৯৩৪.১৩ একর (৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর)
21
চলতি আর্থিক বাজেটে কৃষিতে ভর্তুকি কত টাকা ধরা হয়েছে?
ক ১৬০০০ কোটি টাকা
খ ৫০০ কোটি টাকা
গ ৬০০ কোটি টাকা
ঘ ৪০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর: ক (১৬০০০ কোটি টাকা)
ব্যাখ্যা:
প্রস্তাবিত ২০২০ - ২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি মন্ত্রণালয়কে ১৫ হাজার ৪৩৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে , যা চলতি অর্থবছরের চেয়ে ১ হাজার ৩৮৮ কোটি টাকা বেশি । আর চলতি সংশোধিত বাজেটের চেয়ে দুই হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা বেশি বরাদ্দ দেয়া হয়েছে । এবার কৃষি খাতে ভর্তুকি ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ।
22
' ইরাটম' কি?
ক উন্নত জাতের ধান
খ উন্নত জাতের পাট
গ উন্নত জাতের চা
ঘ উন্নত জাতের ইক্ষু
সঠিক উত্তর: ক (উন্নত জাতের ধান)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উদ্ভাবিত একটি উন্নত জাতের ধানের নাম ইরাটম। এরুপ আরো কিছু উন্নতজাতের ধানের নাম ইরাটম। এরুপ আরো কিছু উন্নতজাতের ধান হলো - ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
23
বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নাম দুটি কিসের?
ক দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
খ উন্নতজাতের গম শস্য
গ কৃষি খামারের নাম
ঘ দুটি কৃষি সংস্থার নাম
সঠিক উত্তর: খ (উন্নতজাতের গম শস্য)
ব্যাখ্যা:
বলাকা ও দোয়েল উন্নতজাতের গমের নাম। আরো কিছু উন্নতজাতের গম শস্য হলো সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন ,বরকত, অগ্রণী, ইনিরা ৬৬, জোপাটেকো।
24
বাংলাদেশে মাথাপিছু কত কিলোওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হয় ?
ক ১৫ ইউনিট
খ ৫০ ইউনিট
গ ৭৫ ইউনিট
ঘ ৩০ ইউনিট
সঠিক উত্তর: গ (৭৫ ইউনিট)
ব্যাখ্যা:
জাতীয় সঞ্চালন লাইনের বাইরে থাকা প্রত্যন্ত গ্রাম ও চরাঞ্চলেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করেছে সরকার। এতে মাথাপিছু বিদ্যুতের ব্যবহারও বেড়েছে। আগে উৎপাদন অনুযায়ী বছরে মাথাপিছু বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল ২২০ ইউনিট (কিলোওয়াট প্রতি ঘণ্টা)। বর্তমানে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১০ ইউনিটে।
25
' সোনালিকা' ও ' আকবর' বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কিসের নাম?
ক উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
খ দুটি কৃষি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থার নাম
গ উন্নত জাতের গমের নাম
ঘ উন্নত জাতের ধানের নাম
সঠিক উত্তর: গ (উন্নত জাতের গমের নাম)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে, সোনালিকা ,ও 'আকবর' দুটি উন্নতজাতের গমের নাম। এরুপ আরো কতিপয় উন্নত জাতের গমের মধ্যে অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত , বলাকা, জোপাটিকা, ইনিয়া - ৬৬ প্রভৃতি প্রধান। পক্ষান্তরে, বাংলাদেশ উৎপাদিত উন্নত জাতের কতিপয় ধানের মধ্যে বিনা - ৮ বিনা - ৯ বিআর - ৩৩ ব্রি ধান ৪৭ ,বিআর ১১, ব্রি ধান ৪৬ ,বিআর - ১ (চন্দনা), বিআর - ২ (মালা) প্রভৃতি প্রধান।
26
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় ----
ক আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
খ অগ্রহায়ন -পৌষ মাসে
গ মাঘ-ফাল্গুন
ঘ ভাদ্র -আশ্বিন মাসে
সঠিক উত্তর: খ (অগ্রহায়ন -পৌষ মাসে)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় অগ্রহায়ন পৌষ মাসে ( নভেম্বর - জানুয়ারি) । আউশ ধান কাটা হয় আগস্টে আর বোরো ধান কাটা হয় এপ্রিল - মে মাসে।
27
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে 'দোয়েল' কিসের নাম ?
ক কৃষি সংস্থা
খ কৃষি যন্ত্র
গ উন্নত জাতের গম
ঘ উন্নত জাতের ধান
সঠিক উত্তর: গ (উন্নত জাতের গম)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে 'দোয়েল' উন্নত জাতের গম নাম। বাংলাদেশের কিছু কৃষি ক্ষেত্রে কিছু উন্নত জাতের গমের নাম হল: ১. ইনিয়া - ৬৬ :৩.৫ - ৩.৭ টন/হেক্টর ২. নরটেনো - ৬৭ :৩.২ - ৩.৫ টন/হেক্টর ৩. সোনালিকা :২.৩ - ২.৮ টন/হেক্টর ৪. টেনোরী - ৭১ :৩.৪ - ৩.৫ টন/হেক্টর ৫. জুপাটিকো - ৭৩ :৩.৪ - ৩.৫ টন/হেক্টর ৬. বলাকা :২.২ - ২.৮ টন/হেক্টর ৭. দোয়েল : ৩.৫ - ৪.০ টন/হেক্টর ৮. পবণ :৩.৭ - ৪.২ টন/হেক্টর ৯. আনন্দ :২.১ - ২.৬ টন/হেক্টর ১০. কাঞ্চণ :৩.৫ - ৪.৬ টন/হেক্টর ১১. বরকত :২.১ - ২.৮ টন/হেক্টর ১২. আকবর :৩.৫ - ৪.৫ টন/হেক্টর
28
বাংলাদেশে চীনা মাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
ক বিজয়পুরে
খ জামালগঞ্জে
গ মহান্থান গড়ে
ঘ রানীগঞ্জে
সঠিক উত্তর: ক (বিজয়পুরে)
ব্যাখ্যা:
চীনা মাটি হল কেওলিন কর্দম মনিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম। চীনা মাটি প্রধানত ব্যবহার করা হয় সিরামিক শিল্পে। ১৯৬২ সালে বাংলাদেশের জয়পুরহাটে জামালগঞ্জে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে।
29
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় ---
ক আউশ ধান
খ বোরো ধান
গ ইরি ধান
ঘ আমন ধান
সঠিক উত্তর: খ (বোরো ধান)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬ অনুযায়ী ২০১৪ - ১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে আউশ ধান উৎপাদনের পরিমাণ ২৩.২৮ লক্ষ মেট্রিক টন। আমন ধান উৎপাদন হয় ১৩১.৯০ লক্ষ মেট্রিক টন। আর বোরো ধান উৎপাদনের পরিমাণ ১৯১.৯২ লক্ষ মেট্রিক টন।
30
বাংলায় '৭৬ -এর মন্বন্তর 'এর সময়কাল-
ক ১৭৭০
খ ১৭৬৫
গ ১৭৫৭
ঘ ১৭৫২
সঠিক উত্তর: ক (১৭৭০)
ব্যাখ্যা:
বাংলায় '৭৬ - এর মন্বন্তর 'এর সময়কাল - ১৭৭০ সাল। ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত। ১১৭৬ বঙ্গাব্দে ( খ্রি. ১৭৭০) এই দুর্ভিক্ষ হয়েছিল বলে একে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বলা হয়।
0 টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)