পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিখ্যাত স্থান
বাংলাদেশ বিষয়াবলী বিষয়ের পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিখ্যাত স্থান অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ MCQ প্রশ্ন ও ব্যাখ্যাসহ সমাধান। বিসিএস ও চাকরির সেরা প্রস্তুতি।
মোট 3 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 1নদী ভাঙনজনিত কারণে বাংলাদেশ প্রতিবছর আনুমানিক কত কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়?
ক
২০০ কোটি টাকা
খ
৫০০ কোটি টাকা
গ
২৫০ কোটি টাকা
ঘ
৬৫০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
ক (২০০ কোটি টাকা)
ব্যাখ্যা:
নদীভাঙন বেশি হয় বর্ষাকালে। পদ্মা, যমুনা, মেঘনা, তিস্তাসহ প্রায় ৪১০টি নদী-উপনদীতে বন্যা এবং সন্নিহিত নদীতে ভাঙনের ঘটনা ঘটে প্রতিবছর। প্রায় ১.৫ মিলিয়ন মানুষ প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় নদীভাঙনের দ্বারা। ফলে বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ২০০ কোটি টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এ ছাড়া প্রতিবছর নদীভাঙনে নিঃশেষ হয়ে যায় প্রায় ৮,৭০০ হেক্টর জমি। উৎসঃ পঞ্চম শ্রেণীর বোর্ড বই।
বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭) কোন সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়?
ক
১৯৭৪
খ
১৯৮৮
গ
১৯৯৮
ঘ
২০০৭
সঠিক উত্তর:
গ (১৯৯৮)
ব্যাখ্যা:
১৯৭৪ সালে ময়মনসিংহের প্রায় ১০,৩৬০ বর্গ কিলোমিটার অঞ্চল বন্যা কবলিত হয়। ১৯৮৮ সালের আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসের বন্যায় ভয়ংকর বিপর্যয় দেখা দেয়। প্রায় ৮২,০০০ বর্গ কিমি এলাকা (সমগ্র দেশের ৬০% এরও অধিক এলাকা) ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এ ধরনের বন্যা ৫০-১০০ বছরে একবার ঘটে। বৃষ্টিপাত এবং একই সময়ে (তিন দিনের মধ্যে) দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ একই সময় ঘটার (synchronize) ফলে বন্যার আরও ব্যাপ্তি ঘটে। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরও প্লাবিত হয়। বন্যা স্থায়িত্ব ছিল ১৫ থেকে ২০ দিন। ১৯৯৮ সালের বন্যায় সমগ্র দেশের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি এলাকা দুই মাসের অধিক সময় বন্যা কবলিত হয়। বন্যার ব্যাপ্তি অনুযায়ী এটি ১৯৮৮ সালের বন্যার সাথে তুলনীয়। ব্যাপক বৃষ্টিপাত, একই সময়ে দেশের তিনটি প্রধান নদীর প্রবাহ ঘটার ফলে ও ব্যাক ওয়াটার এ্যাফেক্টের কারণে এই বন্যা ঘটে। ২০০৭ সালের বন্যাকে “মহাবন্যা” বলা হয়। ২০০৭ সালের বন্যা হয় সেপ্টেম্বর মাসে। এতে দেশের ৪২ শতাংশ এলাকার ৬২ হাজার ৩০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা প্লাবিত হয়।
সম্প্রতি নেপালে কবে ভয়াবহ ভূমিকম্প সংগঠিত হয়?
ক
২৫ এপ্রিল,২০১৫
খ
২৫ মার্চ,২০১৫
গ
২২ এপ্রিল,২০১৫
ঘ
২০ এপ্রিল,২০১৫
সঠিক উত্তর:
ক (২৫ এপ্রিল,২০১৫)
ব্যাখ্যা:
২৫শে এপ্রিল, ২০১৫ সালে ১১:৫৭ এনএসটি (৬:১২:২৬ ইউটিসি) সময়ে নেপালের লামজংয়ের পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্ব কেন্দ্রস্থল থেকে আনুমানিক ২৯ কিমি (১৮ মাইল) ব্যাপী এলাকায় ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫ কিমি (৯.৩ মািল) গভীরে সংগঠিত হয় এবং প্রায় কুড়ি সেকেন্ড ধরে চলে।[১৩] ইউনাইটেড স্টেটস জিওলজিক্যাল সার্ভে প্রথমে ভূমিকম্পের তীব্রতা ৭.৫ মাত্রার মাপলেও শীঘ্রই তা পরিবর্তন করে ৭.৯ মাত্রা ও পরে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প বলে উল্লেখ করে, যদিও চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টারভূমিকম্পের তীব্রতা ৮.১ মাত্রা পরিমাপ করে
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)