বাক্য

বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য বাংলা ভাষা - বাক্য MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।

মোট 467 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 32
1
'ডাক্তার সাহেবের হাতযশ ভালো' এ বাক্যে 'হাত' ব্যবহৃত হয়েছেঃ
ক অধিকার অর্থে
খ অভ্যাস অর্থে
গ নিপুণতা
ঘ বশ অর্থে
সঠিক উত্তর: গ (নিপুণতা)
ব্যাখ্যা:
এখানে হাতযশ বলতে দক্ষতা বুঝানো হয়েছে।
2
'চাঁদমুখ' ---এর ব্যাসবাক্য হলো -----
ক চাঁদমুখের ন্যায়
খ চাঁদ মুখ যার
গ চাঁদরূপ মুখ
ঘ চাঁদের মত মুখ
সঠিক উত্তর: ঘ (চাঁদের মত মুখ)
ব্যাখ্যা:
সাধারণ গুণের উল্লেখ ব্যতীত উপমেয়র সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়। তাকে বলে উপমিত কর্মধারয় সমাস। 'চাঁদমুখ - এর ব্যাসবাক্য হলো 'মুখ চাঁদের ন্যায়।' এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্গত।
3
'যেহেতু তুমি বেশি নম্বর পেয়েছ, সুতরাং তুমি প্রথম হবে' কোন ধরনের বাক্য?
ক সরল
খ যৌগিক
গ অনুজ্ঞামূলক
ঘ জটিল
সঠিক উত্তর: খ (যৌগিক)
ব্যাখ্যা:
দুই বা ততোধিক বাক্য যখন ও , এবং ,আর, কিন্তু, সুতরাং তথাপি ইত্যাদি অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত থাকে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। উল্লেখ্য, যৌগিক বাক্যে দুটি স্বাধীন বাক্য থাকে। যেমন - তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি। অতএব উপরিউক্ত বাক্যটি একটি যৌগিক বাক্য।
4
'শক্রকে পীড়া দেয় যে,-এর সঠিক বাক্য সংকোচন হলো-
ক শক্রঘ্ন
খ পরন্তপ
গ জিঘাংসা
ঘ শকুহ্ন
সঠিক উত্তর: খ (পরন্তপ)
ব্যাখ্যা:
পরন্তপ - [বিশেষণ পদ] শত্রু - নিগ্রহকারী, পরঞ্জয়, অরিন্দম। [পরম্ + তপ]
5
' যে-ই তার দর্শন পেলাম, সে-ই আমরা প্রস্থান করলাম।' ---এটি কোন জাতীয় বাক্য?
ক সরল বাক্য
খ মৌলিক বাক্য
গ মিশ্র বাক্য
ঘ যৌগিক বাক্য
সঠিক উত্তর: গ (মিশ্র বাক্য)
ব্যাখ্যা:
যে বাক্যে একটি মাত্র উদ্দেশ্য (কর্তা) ও একটি মাত্র বিধেয় (সমাপিকা ক্রিয়া )থাকে , তাকে সরল বাক্য বলে। যেমন - রনি বল খেলে। যে পূর্ণ বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য পরস্পর সম্পর্কযুক্ত থাকে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন - যারা মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে, তারা পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়। দুই, বা ততোধিক বাক্য যখন ও, এবং , আর, কিন্তু তথাপি ইত্যাদি অব্যয়ের সাহায্যে যুক্ত থাকে তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তুমি ও আমি বাজারে যাব।সুতরাং আলোচ্য বাক্যটি মিশ্র বাক্য।
6
'মহাকীর্তি' এর ব্যাসবাক্য কোনটি?
ক মহান যে কীর্তি
খ মহৎ যে কীর্তি
গ মহা যে কীর্তি
ঘ মহতী যে কীর্তি
সঠিক উত্তর: ঘ (মহতী যে কীর্তি)
ব্যাখ্যা:
ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যঃ সমাসবদ্ধ পদকে বিশ্লেষণ করে যে বাক্য পাওয়া যায়. তাকে ' ব্যাসবাক্য ' বলে । যেমন - আনাড়ি = নেই নাড়ি জ্ঞান যার ( ব্যাসবাক্য ). বাবা - মা = বাবা ও মা ( ব্যাসবাক্য ). বিলাতফেরত = বিলাত থেকে ফেরত ( ব্যাসবাক্য ). মৌমাছি = মৌ সংগ্রহকারি মাছি ( ব্যাসবাক্য ).
7
‘তাঁর চুল পেকেছে কিন্তু বুদ্ধি পাকেনি’- এটি কোন ধরনের বাক্য?
ক সরল বাক্য
খ যৌগিক বাক্য
গ মিশ্র বাক্য
ঘ জটিল বাক্য
সঠিক উত্তর: খ (যৌগিক বাক্য)
ব্যাখ্যা:
যৌগিক বাক্য : একাধিক সরল বাক্য কোন অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। (সরল বাক্য দুটি - তার বয়স হয়েছে, তার বুদ্ধি হয়নি) সে খুব শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। (সরল বাক্য দুটি - সে খুব শক্তিশালী, সে খুব বুদ্ধিমান) যৌগিক বাক্যে এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি - এই অব্যয়গুলো দিয়ে দুটি সরল বাক্য যুক্ত হয়। এগুলো দেখে সহজেই যৌগিক বাক্যকে চেনা যেতে পারে। তবে কোন অব্যয় ছাড়াও দুটি সরল বাক্য একসঙ্গে হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করতে পারে।
8
ের তিনটি গুণ কি কি?
ক আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
খ যোগ্যতা , উদ্দেশ্য ও বিধেয়
গ কোনোটিই নয়
ঘ আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
সঠিক উত্তর: ঘ (আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা)
ব্যাখ্যা:
ভাষার বিচারে বাক্যের ৩ টি গুণ থাকা আবশ্যক - ১. আকাঙ্ক্ষা , ২. আসত্তি ও ৩. যোগ্যতা । বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা - ই আকাঙক্ষা । বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি। আর বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা ।
9
' তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল।'এটি কোন বাক্য?
ক সরল
খ যৌগিক
গ সংযুক্ত
ঘ মিশ্র বা জটিল
সঠিক উত্তর: ঘ (মিশ্র বা জটিল)
ব্যাখ্যা:
একটি প্রধান বাক্যের সঙ্গে অঙ্গীভূত এক বা একাধিক খণ্ডবাক্য সাধারণভাবে বা কোনো অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন - 'তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সখিনা বিবির কপাল ভাঙল - এটি একটি মিশ্র বা জটিল বাক্য।
10
ভালো করে পড়লে সফল হবে- বাক্যটিতে ক্রিয়ার কোন ভাবের প্রয়োগ ঘটেছে ?
ক নির্দেশকভাবে
খ সাপেক্ষভাব
গ আকাঙ্ক্ষা প্রকাশকভাবে
ঘ অনুজ্ঞাভাব
সঠিক উত্তর: খ (সাপেক্ষভাব)
ব্যাখ্যা:
যে বিশিষ্ট ভঙ্গি, ধরন বা রীতির দ্বারা ক্রিয়ার কাজটি কীভাবে ঘটছে, তা বুঝতে পারা যায়, সেই বিশিষ্ট অবস্থাকে বলে ক্রিয়ার ভাব। যেমন: যদি রেখা আসে, আমার সঙ্গে দেখা করবে। ক্রিয়ার ভাব চার প্রকার। যথা: ১। নির্দেশক ভাব ২। অনুজ্ঞা ভাব ৩। সাপেক্ষ ভাব ৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ ভাব ১। নির্দেশক ভাব: সাধারণ ঘটনা নির্দেশ করলে বা কিছু জিজ্ঞাসা করলে ক্রিয়াপদের নির্দেশক ভাব হয়। যথা: তারা বাড়ি যাবে। আপনি কি আসবেন? ২। অনুজ্ঞা ভাব: আদেশ, নিষেধ, উপদেশ, অনুরোধ, আশীর্বাদ ইত্যাদি সূচিত হলে ক্রিয়া পদের অনুজ্ঞা ভাব হয়। যেমন: চুপ করো, মিথ্যা বলবে না, মন দিয়ে পড়ো। ৩। সাপেক্ষ ভাব: একটি ক্রিয়ার সংঘটন অন্য একটি ক্রিয়ার ওপর নির্ভর করলে, নির্ভরশীল ক্রিয়াকে সাপেক্ষ ভাবের ক্রিয়া বলে। যেমন: যদি সে পড়ত, তবে পাস করত। আজ বাবা বেঁচে থাকলে আমার এত কষ্ট হতো না। ৪। আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাব: যে ক্রিয়াপদের বক্তা সোজাসুজি কোনো ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে, তাকে আকাঙ্ক্ষা প্রকাশক ভাবের ক্রিয়া বলা হয়। যেমন: সে যাক, বৃষ্টি আসে আসুক, তার মঙ্গল হোক।
11
'' 'পুরষ্কার' বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিবেশ এত 'অপরিস্কার' "। -----বাক্যটির নিম্নরেখ পদে ষ/স ব্যবহারে -----
ক প্রথমটি অশুদ্ধ, দ্বিতীয়টি শুদ্ধ
খ দুটোই অশুদ্ধ
গ দুটোই শুদ্ধ
ঘ প্রথমটি শুদ্ধ, দ্বিতীয়টি অশুদ্ধ
সঠিক উত্তর: খ (দুটোই অশুদ্ধ)
ব্যাখ্যা:
'পুরষ্কার' ও 'অপরিষ্কার, শব্দ দুটোর শুদ্ধরুপ যথাক্রমে 'পুরস্কার ' ও অপরিষ্কার ' । সুতরাং প্রশ্নে প্রদত্ত দুটো শব্দই অশুদ্ধ।
12
'যা কখনো নষ্ট হয় না' - বাক্যটির সংকোচিত রুপ-
ক অনষ্টভাব
খ অবিনষ্ট
গ অনাহত
ঘ অবিনশ্বর
সঠিক উত্তর: ঘ (অবিনশ্বর)
ব্যাখ্যা:
যা বলা হয় নি - অনুক্ত. যা কখনো নষ্ট হয় না - অবিনশ্বর. যা মর্ম স্পর্শ করে - মর্মস্পর্শী. যা বলার যোগ্য নয় - অকথ্য. যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না - অজ্ঞাতকুলশীল।
13
'তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'- এটা কোন ধরনের বাক্য?
ক যৌগিক বাক্য
খ মিশ্র বাক্য
গ সরল বাক্য
ঘ সাধারণ বাক্য
সঠিক উত্তর: ক (যৌগিক বাক্য)
ব্যাখ্যা:
যৌগিক বাক্য : একাধিক সরল বাক্য কোন অব্যয় দ্বারা সংযুক্ত হয়ে একটি বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন - তার বয়স হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধি হয়নি। (সরল বাক্য দুটি - তার বয়স হয়েছে, তার বুদ্ধি হয়নি) সে খুব শক্তিশালী এবং বুদ্ধিমান। (সরল বাক্য দুটি - সে খুব শক্তিশালী, সে খুব বুদ্ধিমান) যৌগিক বাক্যে এবং, ও, আর, কিন্তু, অথবা, অথচ, কিংবা, বরং, তথাপি - এই অব্যয়গুলো দিয়ে দুটি সরল বাক্য যুক্ত হয়। এগুলো দেখে সহজেই যৌগিক বাক্যকে চেনা যেতে পারে। তবে কোন অব্যয় ছাড়াও দুটি সরল বাক্য একসঙ্গে হয়ে যৌগিক বাক্য গঠন করতে পারে।
14
'মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে'--- বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয় -----
ক মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
খ মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
গ মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না
ঘ মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না
সঠিক উত্তর: খ (মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না)
ব্যাখ্যা:
না - সূচক বাক্যে না , নয়, নহে, নি ,নেই , নাহি, নাই ইত্যাদি নঞর্থক অব্যয় ব্যবহার করতে হবে। না - বাচক ক্রিয়া ও না - বাচক শব্দ বা না - বাচক অব্যয় মিলে বাক্যে দু'বার ব্যবহার করে অস্তিবাচক বা হ্যাঁ - সূচক ভাব বজায় রাখতে হবে। মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে ' - বাক্যটির নেতিবাচক রুপ 'মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না।'
15
' এ যে আমাদের চেনা লোক' ---বাক্যে ' চেনা' কোন পদ?
ক বিশেষ্য
খ ক্রিয়া
গ বিশেষণ
ঘ অব্যয়
সঠিক উত্তর: গ (বিশেষণ)
ব্যাখ্যা:
যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ , গুণ, অবস্থা, সংখ্যা , পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। এ বাক্যে 'চেনা ' শব্দটি দ্বারা লোকটির পরিচিতি বা অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি বিশেষদ পদ।
0 টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)