প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2018-(১২ জেলা-৮১৬১-04) (24-04-2018) || 2018
বিসিএস ও সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নব্যাংক - প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-2018-(১২ জেলা-৮১৬১-04) (24-04-2018) || 2018 MCQ প্রশ্নোত্তর। চাকরির প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নব্যাংক।
মোট 72 টি প্রশ্ন | পৃষ্ঠা 1 / 5’নন্দিত’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
ক
বিষাদ
খ
নিন্দিত
গ
বিষণ্ণ
ঘ
প্রসচ্ছন্ন
সঠিক উত্তর:
খ (নিন্দিত)
ব্যাখ্যা:
নন্দিত এর বাংলা অর্থ হলো = আনন্দিত, আহ্লাদিত । সুতরাং, এর বিপরীত শব্দ হল বিষণ্ণ ।
কোন বানানটি অশুদ্ধ?
ক
উপাদান
খ
উপচার্য
গ
উপাধ্যক্ষ
ঘ
উপার্জন
সঠিক উত্তর:
খ (উপচার্য)
ব্যাখ্যা:
শুদ্ধ - উপাচার্য : (বিশেষ্য পদ ) সহকারী আচার্য। (উপ + আচার্য )।
বরনের যোগ্য যিনি, বাক্যটিকে এক কথায় প্রকাশ করুন।
ক
বরেণ্য
খ
বীর
গ
বরনীয়
ঘ
বীরপুরুষ
সঠিক উত্তর:
ক (বরেণ্য)
ব্যাখ্যা:
বরেণ্য : (বিশেষণ পদ ) শ্রেষ্ঠ , বরণীয় , প্রার্থনীয় । বীরপুরুষ : সাহসী বা যুদ্ধপটু ব্যক্তি ; বিশিষ্ট জন (রথী মহারথী )। বরণীয় : (বিশেষণ পদ ) বরণযোগ্য , পূজনীয় , গ্রহণীয় , প্রার্থনীয় । বীর : [বিশেষণ পদ ] শূর , বলবান্ , সাহসী , রণকুশল , অসামান্য কর্মী ।
’মাথা খাও’ ভুলিওনা কেয়ো মনে করে, মাথা কাও বলতে বুঝায়-
ক
মাথার দিব্যি
খ
মাথা খাওয়া
গ
মাথা ধরা
ঘ
মাথা ব্যথা
সঠিক উত্তর:
ক (মাথার দিব্যি)
ব্যাখ্যা:
বাংলা ভাষায় এমন কতকগুলো বিশেষ্য, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদ আছে যেগুলো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত হয়। এসব শব্দের প্রত্যেকটি নিজস্ব আভিধানিক অর্থের অতিরিক্ত একাধিক বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করে। যেমন: ‘মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুলো না - এখানে ‘মাথা খাও দিব্যি দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
বহুব্রীহি সমাস কয় প্রকার ?
ক
তিন প্রকার
খ
ছয় প্রকার
গ
দশ প্রকার
ঘ
আট প্রকার
সঠিক উত্তর:
ঘ (আট প্রকার)
ব্যাখ্যা:
বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার। যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে, অন্য কোনো পদকে বোঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমন: বহু ব্রীহি (ধান) আছে যার = বহুব্রীহি। বহুব্রীহি সমাস আট প্রকার। যথা: ১. সমানাধিকরণ বহুব্রীহি, ২. ব্যাধিকরণ বহুব্রীহি, ৩. ব্যতিহার বহুব্রীহি, ৪. নঞ্ বহুব্রীহি, ৫. মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি, ৬. প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি, ৭. অলুক বহুব্রীহি, ৮. সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি।
‘কচু বনে কাঁলাচাদ’ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক
সৌখিন ব্যক্তি
খ
অপদার্থ
গ
সাদাসিধা লোক
ঘ
নিরীহ ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
খ (অপদার্থ)
ব্যাখ্যা:
কচু বনে কালাচাঁদ ( অপদার্থ ): পড়াশুনার নাম নেই , পোশাকের কি ঘটা। এমন কচু বনের কালাচাঁদ আর দেখিনি ।
’প্রত্যুষ’ শব্দর সন্ধি বিচ্ছেদ করুন।
ক
প্রতি + ঊষ
খ
প্রতি + উষ
গ
প্রত্যু + উষ
ঘ
প্রত্যু + উষ
সঠিক উত্তর:
ক (প্রতি + ঊষ)
ব্যাখ্যা:
প্রত্যুষ শব্দর সন্ধি বিচ্ছেদ প্রতি + ঊষ। ই/ঈ এরপরে ই/ঈ ছাড়া অন্য কোন স্বরধ্বনি থাকলে ই/ঈ - র জায়গায় য (য - ফলা,্য) হয় এবং তা ই/ঈ - র আগের ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত হয়। ই + ঊ = য - ফলা + ঊ প্রতি + উষ = প্রত্যূষ।
লোক সাহিত্য কাকে বলে?
ক
লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী, গান, ছড়া ইত্যাদিকে বলে
খ
গ্রামীণ নরনারীর প্রণয় সংবলিত উপখ্যানকে
গ
লোক সাধারনের কল্যাণে দেবতার প্রস্তুতিমূলক রচনাকে
ঘ
গ্রামীণ অশিক্ষিত ও অখ্যাত লোকের সৃষ্ট রচনাকে
সঠিক উত্তর:
ক (লোকের মুখে মুখে প্রচলিত কাহিনী, গান, ছড়া ইত্যাদিকে বলে)
ব্যাখ্যা:
Spectrum(বর্ণচ্ছটা; বর্ণালি) এর Plural হচ্ছে Spectra এরকম আরো কিছু উদাহরণ হচ্ছে sgendum - agenda/datum - Data/Memorandum Memoranda. অতএব, সঠিক উত্তর (খ)।
দেশের জন সেবা কর, ‘দেশের’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
ক
কর্তায় শূন্য
খ
কর্মে ষষ্ঠী
গ
সম্প্র্রাদনে ষষ্ঠী
ঘ
কর্মে শূন্য
সঠিক উত্তর:
গ (সম্প্র্রাদনে ষষ্ঠী)
ব্যাখ্যা:
সম্প্রদান কারনের বৈশিষ্ট হচ্ছে স্বার্থহীনভাবে কোন কিছু দেওয়া বা ত্যাগ করা। কিন্তু বর্তমান পৃথিবিতে স্বার্থহীন বলতে কিছু নেই। তথাপিও স্বার্থ আসলে ২ প্রকার হতে পারে যথা ১. প্রত্যক্ষ স্বার্থ ২. পরক্ষ স্বার্থ। পরক্ষ স্বার্থের জন্য আমরা যেটা করি সেটা হবে সম্প্রদান কারক। যেমন- ভিক্ষুক কে ভিক্ষা দাও, অন্ধজনে দেহ আলো, দেশের সেবা কর।আর প্রত্যক্ষ স্বার্থের জন্য যেটা করি সেটা হবে কর্মকারক।
শৃঙ্খলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙ্খল‘ কোন সমাস?
ক
দ্বন্দ্ব
খ
বহুব্রীহি
গ
তত্পুরুষ
ঘ
অব্যয়ীভাব
সঠিক উত্তর:
ঘ (অব্যয়ীভাব)
ব্যাখ্যা:
Penultimate অর্থ - - - সবশেষটির পূর্ববর্তী অর্থাৎ last but one (একজন ব্যতীত সবশেষের উওন)। তাই সঠিক উত্তর (গ)।
‘অন্বেষণ‘ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করুন।
ক
অন্ব + এষণ
খ
অন্ব + এষণ
গ
অনু + এষণ
ঘ
অন + এষণ
সঠিক উত্তর:
গ (অনু + এষণ)
ব্যাখ্যা:
‘অন্বেষণ ‘ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ = অনু + এষণ । Normal 0 false false false EN - US X - NONE X - NONE
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর‘ - এখানে ‘টাপুর টুপুর’ কোন ধরনের শব্দ?
ক
ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি
খ
ছড়ার শব্দ
গ
শব্দের দ্বিরুক্তি
ঘ
পদের দ্বিরুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক (ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি)
ব্যাখ্যা:
কোনো কিছুর স্বাভাবিক বা কাল্পনিক অনুকৃতিবিশিষ্ট শব্দের রূপকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। এ জাতীয় ধ্বন্যাত্মক শব্দের দুইবার প্রয়োগের নাম ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি দ্বারা বহুত্ব, আধিক্য ইত্যাদি বোঝায়। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরক্তি শব্দ কয়েকটি উপায়ে গঠিত হয়। যেমন : ১. মানুষের ধ্বনির অনুকার : ভেউ ভেউ - মানুষের উচ্চস্বরে কান্নার ধ্বনি ট্যা ট্যা হি হি ২. জীবজন্তুর ধ্বনির অনুকার : ঘেউ ঘেউ (কুকুরের ধ্বনি) মিউ মিউ (বিড়ালের ডাক) কুহু কুহু (কোকিলের ডাক) কা কা (কাকের ডাক) ৩. বস্তুর ধ্বনির অনুকার : ঘচাঘচ (ধান কাটার শব্দ) মড়মড় (গাছ ভেঙে পড়ার শব্দ) ঝমঝম (বৃষ্টি পড়ার শব্দ) হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ) ৪. অনুভূতিজাত কাল্পনিক ধ্বনির অনুকার : ঝিকিমিকি (উজ্জ্বল্য)। ঠা ঠা (রোদের তীব্রতা), কুট কুট (শরীরে কামড় লাগার মতো অনুভূতি) মিনমিন, পিটপিট, ঝি ঝি ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্তি গঠন ১. একই (ধ্বন্যাত্মক) শব্দের অবিকৃত প্রয়োগ : ধবধব, ঝনঝন, পটপট্ ২. প্রথম শব্দটির শেষে আ যোগ করে : গপাগপ, টপটপ, পটাপট ৩. দ্বিতীয় শব্দটির শেষে ই যোগ করে : ধরাধরি, ঝমঝমি, ঝনঝনি ৪. যুগ্মরীতিতে গঠিত ধ্বন্যাত্মক শব্দ : কিচিরমিচির (পাখি বা বানরের শব্দ) টাপুর টুপুর (বৃষ্টি পতনের শব্দ) হাপুসহুপুস (গোগ্রাসে কিছু খাওয়ার শব্দ) ৫. আনি - প্রত্যয় যোগেও বিশেষ্য দ্বিরুক্তি গঠিত হয় : পাখিটার ছটফটানি দেখলে কষ্ট হয়। তোমার বকবকানি আর ভালো লাগে না। ধ্বন্যাত্মক দ্বিরুক্ত শব্দের ব্যবহার (বিভিন্ন পদরূপে) ১. বিশেষ্য : বৃষ্টির ঝমঝমানি আমাদের অস্থির করে তোলে। ২. বিশেষণ : নামিল নভে বাদল ছলছল বেদনায়। ৩. ক্রিয়া : কলকলিয়ে উঠল সেথায় নারীর প্রতিবাদ। ৪. ক্রিয়া বিশেষণ : চিকচিক করে বালি কোথা নাহি কাদা।
‘নিকুঞ্জ’ শব্দের সঠিক অর্থ কোনটি?
ক
খেলার মাঠ
খ
খড়ের ঘর
গ
বাগান
ঘ
পাখির বাসা
সঠিক উত্তর:
গ (বাগান)
ব্যাখ্যা:
নিকুঞ্জ অর্থ - বাগান
‘দুদান্ত’ এ বিপরীত শব্দ কোনটি?
ক
সস্থির
খ
কোমল
গ
নিরীহ
ঘ
সুবিনীত
সঠিক উত্তর:
গ (নিরীহ)
ব্যাখ্যা:
দুর্দান্ত শব্দটির বিপরীত শব্দ - নিরীহ
‘একাদশে বৃহস্পতি‘ বাগধারাটির অর্থ কী?
ক
দিনের প্রথম ভাগ
খ
বিপদে পড়া
গ
সৌভাগ্যের বিষয়
ঘ
আনন্দের বিষয়
সঠিক উত্তর:
গ (সৌভাগ্যের বিষয়)
ব্যাখ্যা:
ব্যখাঃ একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ হচ্ছে " সোভাগ্যের বিষয়"
0
টি সিলেক্টেড (লগইন ছাড়া ২০টি)